পতিতাবৃত্তি আইনের মামলা মানবপাচারে : এসআইকে হাইকোর্টে তলব

প্রকাশিত: ৭:১১ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৫, ২০২১ | আপডেট: ৭:১১:অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৫, ২০২১
বাংলাদেশ হাইকোর্ট। ফাইল ছবি

গার্মেন্টসে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে নারীদের দেহ ব্যবসায় বাধ্য করার অভিযোগে দুই নারীর বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা না করে মানবপাচার আইনে মামলা করার ব্যাখ্যা জানাতে পুলিশ কর্মকর্তাকে তলব করেছেন হাইকোর্ট।

আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ মডেল থানার এসআই মাছুমের রহমানকে আদালতে হাজির হয়ে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে ওই দুই নারীকে কেন জামিন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

ওই দুই আসামির জামিন আবেদনের শুনানি নিয়ে সোমবার (২৫ জানুয়ারি) বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম ও বিচারপতি মো. বদরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে আসামিদের পক্ষে ছিলেন অশোক কুমার বণিক। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. বশির উল্লাহ।

বশির উল্লাহ বলেন, চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ মডেল থানার মোহাম্মদপুরে আবেদ মঞ্জিলের তৃতীয় তলায় হাসিনা ও পলি আক্তার নামে দুজন যৌন ব্যবসা শুরু করেন। তারা ওই ভবনে গার্মেন্টসের নিরীহ শ্রমিকদের নিয়ে এসে যৌন ব্যবসায় উদ্বুদ্ধ করেন এবং কাউকে জোরপূর্বকও এ কাজে যুক্ত করান। ঘটনাটি পুলিশের নজরে আসে।

তিনি আরও বলেন, গত ৭ নভেম্বর পুলিশ ভিকটিম হিসেবে যারা ওই খানে ছিল, তাদেরকে উদ্ধার করেন। তখন পলি আক্তার ও হাসিনাকে গ্রেফতার করে এস আই কাজী মাছুমের রহমান। তাদের বিরুদ্ধে পাচঁলাইশ মডেল থানার এসআই মানবপাচার আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। কিন্তু মামলাটি করা উচিত ছিল নারী নির্যাতন প্রতিরোধ আইনের ৫ ধারায়। এ কারণে আদালত উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

এ কারণে আদালত পুলিশের ওই কর্মকর্তাকে তলব করে আদেশ দেন।