পদোন্নতি পাচ্ছেন ৬ হাজারেরও বেশি শিক্ষক

প্রকাশিত: ৮:৩৭ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ৫, ২০২০ | আপডেট: ৮:৩৭:অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ৫, ২০২০

সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষকদের সিনিয়র শিক্ষক পদে পদোন্নতির খসড়া তালিকা প্রকাশ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতর (মাউশি)। সহকারী শিক্ষকরা পদোন্নতির মধ্য দিয়ে প্রথম শ্রেণির নন-ক্যাডার শিক্ষক পদে পদোন্নতি পাবেন।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, জাতির পিতার শতবর্ষে বিশাল পদোন্নতি বাস্তবায়ন করার চেষ্টা চলছে। এটি হবে মুজিবর্ষের বিরাট অর্জন। ইতোমধ্যে এ সংক্রান্ত কমিটি যাচাই-বাছাইয়ের কাজ শুরু করেছে।

পরিচালক (মাধ্যমিক) অধ্যাপক মো. বেলাল হোসেন বলেন, ‘জাতির পিতার শতবর্ষে পদোন্নতি বাস্তবায়নের জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা চালানো হচ্ছে। আমরা কোনোভাবেই কালক্ষেপণ করতে চাই না। এরই মধ্যে আমাদের এ সংক্রান্ত বিশেষজ্ঞ কমিটি যাচাই-বাছাইয়ের কাজ শুরু করেছে।’

মাধ্যমিক অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এই পদোন্নতিতে শিক্ষকদের তেমন কোনো আর্থিক সুবিধা না বাড়লেও সামাজিকভাবে তাদের মর্যাদা বাড়বে। এক্ষেত্রে এর একটি ইতিবাচক প্রভাব দেখা যাবে শিক্ষাক্ষেত্রে। এ পদোন্নতি হলে মাধ্যমিকে আরও বিভিন্নভাবে পদায়নও সম্ভব হবে।

আবার বিভিন্ন বিধি বিধানের কারণে অনেক শিক্ষকের পদোন্নতি আটকেও যেতে পারে। এছাড়া, বিএড না থাকার শর্ত লঙ্ঘন, সমন্বিত মেধা তালিকা না থাকার কারণে কিভাবে পদোন্নতি দেওয়া হবে, তা নিয়েও অনেক শিক্ষক প্রশ্ন তুলেছেন।

সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শাহাব উদ্দিন মাহমুদ সালমী এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে বলেন, ‘বিধি মেনে অর্থাৎ ২০১৮ খ্রিস্টাব্দে যে পদ্ধতি অনুসরণ করে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে, সে পদ্ধতি অনুসরণ করে পদোন্নতি দিলে কারও কোনো অভিযোগ থাকবে না।’

পদোন্নতি আটকে যাওয়ার বিষয়ে মো.বেলাল হোসেন বলেন, ‘ত্রুটিগুলো খতিয়ে দেখতেই খসড়া তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। শিক্ষকরা চাইলে অনলাইনে ও সরাসরি লিখিতভাবে তাদের অভিমত জানাতে পারবেন। তারপরে বিধি অনুযায়ী যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই খসড়া তালিকা সংশোধন করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে’

উল্লেখ্য, গত ৩০ নভেম্বর সিনিয়র শিক্ষক পদে পদোন্নতির একটা খসড়া তালিকা প্রকাশ করে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর। প্রকাশিত তালিকায় ৬ হাজার ১৫৫ জন সহকারী শিক্ষককে সিনিয়র শিক্ষক পদে পদোন্নতি দেওয়ার কথা জানানো হয়।

দেশে বর্তমানে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নন-ক্যাডার শিক্ষক পদে কর্মরত আছেন ১০ হাজার ৫০০ জন।