পাপুলের ৬৭ কোটি টাকার দরপত্র বাতিল

প্রকাশিত: ৭:০০ অপরাহ্ণ, আগস্ট ৯, ২০২০ | আপডেট: ৭:০০:অপরাহ্ণ, আগস্ট ৯, ২০২০

মানব ও অবৈধ মুদ্রা পাচারের অভিযোগে আটক বাংলাদেশের সাংসদ মোহাম্মদ শহিদ ইসলামের (পাপুল ) প্রতিষ্ঠানের নতুন একটি দরপত্র কুয়েত সরকার বাতিল করে দিয়েছে। দ্বিতীয় সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে মারাফিয়া কুয়েতিয়া গ্রুপ নামের প্রতিষ্ঠানটি ২৫ লাখ দিনার বা প্রায় ৬৭ কোটি টাকার কাজটি পেয়েছিল। কিন্তু কুয়েত সরকার তা বাতিল করে দিয়েছে।

শহিদ ইসলাম পাপুলের বিরুদ্ধে চলমান মামলার রায় এখনো হয়নি। তবে ৯ আগস্ট পর্যন্ত তাকে কারাগারে রাখতে নির্দেশ দিয়েছে কুয়েতের আদালত। এরপর তাকে আদালতে নেওয়া হলে আটকাদেশ আবারো বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

রায়ে কী শাস্তি হতে পারে সাংসদ পাপুলের, এ নিয়ে চলছে জল্পনা-কল্পনা। কুয়েতের আইন অনুযায়ী, অর্থপাচার প্রমাণিত হলে পাপুলকে কারাগারে থাকতে হবে ৭ বছর। আর যদি মানব পাচারের অভিযোগ প্রমাণিত হয় তাহলে ১৫ বছর। আর যৌনকর্মী পাচারের বিষয়টা প্রমাণিত হলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। পাপুলের ক্ষেত্রে প্রথম দুটি অভিযোগ অনেকটাই প্রমাণিত।

বাংলাদেশের সাবেক আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদ জানান- পাপুল যা করেছে তা অনেক বড় অন্যায়, কারণ এর সঙ্গে রাষ্ট্র জড়িত। তিনি একজন সংসদ সদস্য, তাতে করে বাংলাদেশ সম্পর্কে একটা ভয়ংকর নেতিবাচক বার্তা যাচ্ছে বাইরের পৃথিবীতে। দেশের জন্য যেটা মোটেও ভালো নয়। তাই পাপুলের ব্যাপারে আমাদেরকেও কঠোর হতে হবে।