পুতিনকে ফোন, বসতে চান বাইডেন

টিবিটি টিবিটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ৪:৫১ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১৪, ২০২১ | আপডেট: ৪:৫১:অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১৪, ২০২১

ইউক্রেন সীমান্তে রাশিয়ার ব্যাপক সেনা সমাবেশের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন। বিষয়টি নিয়ে মঙ্গলবার রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে ফোন করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। এ সময় সীমান্তে উত্তেজনার পারদ কমিয়ে আনতে রাশিয়ার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বাইডেন।

যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া দুই দেশের পক্ষ থেকেই এ ফোনালাপের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে হোয়াইট হাউসের বিবৃতিতে বাইডেনের বক্তব্য তুলে ধরা হলেও পুতিনের কোনও প্রতিক্রিয়ার কথা উল্লেখ করা হয়নি। অন্যদিকে ক্রেমলিন জানিয়েছে, ইউক্রেন সম্পর্কে পুতিন তার দৃষ্টিভঙ্গি বাইডেনকে জানিয়ে দিয়েছেন।

হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, ফোনালাপে ইউক্রেনের সার্বভৌমত্ব এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতা সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্রের দৃঢ় প্রতিশ্রুতির ওপর জো বাইডেন জোর দেন। তবে, হোয়াইট হাউসের ওই বিবৃতিতে জো বাইডেনের এ মন্তব্যের বিষয়ে পুতিন কী প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন, তা উল্লেখ করা হয়নি।

অন্যদিকে ক্রেমলিন জানিয়েছে, ইউক্রেন সম্পর্কে পুতিন তার দৃষ্টিভঙ্গি বাইডেনকে ব্যাখ্যা করেছেন। তবে, সুনির্দিষ্টভাবে আর কিছু জানায়নি ক্রেমলিন।

বাইডেন-পুতিনের টেলিফোন সংলাপ নিয়ে সরকারি মন্তব্যের পর হোয়াইট হাউসের প্রেসসচিব জেন সাকি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমরা নিশ্চিতভাবেই মনে করছি যে, রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্কটা চ্যালেঞ্জের হবে। আমরা দুই নেতার মুখোমুখি আলোচনা নিয়ে এ মুহূর্তে প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছি।’

হোয়াইট হাউসের বিবৃতিতে বলা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার সামনে যে একাধিক বিষয় রয়েছে, সেগুলো নিয়ে আলোচনার জন্য বাইডেন তৃতীয় একটি দেশে যুক্তরাষ্ট্র-রাশিয়া শীর্ষ বৈঠকের প্রস্তাব দিয়েছেন।

এদিকে, ইউক্রেন সরকার যুদ্ধ চালানোর যে মানসিকতা পোষণ করছে, তার প্রতি সমর্থন ও পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়ার বিরুদ্ধে তুরস্ককে হুঁশিয়ার করে দিয়েছেন রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ। তুরস্ককে এবং ইউক্রেন ইস্যুতে জড়িত বিচ্ছিন্নতাবাদী-বিরোধী সব দেশকে সতর্ক করেন তিনি।

এদিকে, ইউক্রেন সীমান্তে ‘বৃহত্তম রুশ সেনা সমাবেশ’ ঘটানো হয়েছে জানিয়ে রাশিয়াকে এখনই উস্কানি বন্ধ করতে বলেছে ন্যাটো। ব্রাসেলসে ন্যাটোর মহাসচিব জেনস স্টোলটেনবার্গ বলেছেন, ‘এ সেনা সমাবেশ গভীর উদ্বেগজনক। রাশিয়ারকে এখনই উত্তেজনা কমাতে হবে।’