পুলিশ শান্তি ও নিরাপত্তা বিধানে সার্বক্ষণিক কাজ করছে

প্রকাশিত: ৬:৫১ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ৯, ২০১৯ | আপডেট: ৬:৫১:অপরাহ্ণ, অক্টোবর ৯, ২০১৯

সময়টা দুর্গাপূজার নবমীর রাত। স্থানটা জেলার লাখাই উপজেলার বলভদ্র ব্রিজের কাছে অবস্থিত মোড়াকরি। এখানে স্থানে স্থানে দুর্গাপূজা মন্ডপ। এসব মন্ডপে সনাতন ধর্মের লোকেরা পূজা নিয়ে ব্যস্ত। নিরাপত্তা ছিল জোরদার।

এ রাতে সনাতন ধর্মের লোকজনের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় ও নিরাপত্তা অবস্থা জানতে এ স্থানটিতে যান হবিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোঃ রবিউল ইসলাম। সাথে ছিলেন, হবিগঞ্জ অনলাইন প্রেসক্লাব সভাপতি রফিকুল ইসলাম তুহিন।

এ গ্রামের বিভিন্ন মন্ডপ পরিদর্শন করে বামৈর সমরজিৎ চক্রবর্তী মহাশয়ের বাড়ীতে অনুষ্ঠিত পূজা মন্ডপে যেতেই অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোঃ রবিউল ইসলাম, সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম তুহিন, লাখাইন থানার নবাগত ওসিকে অপরাজিতা যুব সংঘের নেতৃবৃন্দ বরণ করেন।

পরে অতিথিরদের উপস্থিতিতে শুরু হলো মিউজিক্যাল চেয়ার, হাড়ি ভাঙ্গা প্রতিযোগীতা। সবশেষে আরতি অনুষ্ঠিত হয়। ধীরে ধীরে অতিথিরা আসতে শুরু করেন। পরে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিরা বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

পুরস্কার বিতরণী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ রবিউল ইসলাম বলেন, নিজ নিজ ধর্মকে সঠিকভাবে পালন করতে হবে। সকল ধর্মেই শান্তির কথা বলা হয়েছে। তাই সমাজের শান্তির লক্ষ্যে কাজ করে যেতে হবে। তিনি বলেন, মানুষ চায় শান্তি। চায় নিরাপত্তা। পুলিশ শান্তি ও নিরাপত্তা বিধানে সার্বক্ষণিক কাজ করছে।

আমরা চাই অসা¤প্রদায়িক চেতনায় দেশ এগিয়ে যাক, শান্তি ফিরে আসুক। শান্তি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই দেশ থেকে দুর্নীতি, সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ ও মাদকের মতো সব ব্যাধি নির্মূল করা হবে। দেশে শান্তি বজায় থাকবে, সমৃদ্ধি ও উন্নতি হবে এবং দেশের অগ্রগতি অব্যাহত থাকবে। অসা¤প্রদায়িক চেতনার এই দেশে আমরা ধর্ম, বর্ণ, নির্বিশেষে সবাই এক হয়ে পথ চলি।

তিনি বলেন, প্রতিটি ধর্মের মর্মবাণী একটাই। সেখানে সৌহার্দ্য, সহনশীলতা, সহমর্মিতা, শান্তির কথা বলা হয়েছে।
সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম তুহিন বলেন, আমরা বলি ধর্ম যার যার উৎসব সবার। আমাদের উৎসবগুলোতে সবাই আমরা এক হয়ে উদযাপন করি। এটাই হচ্ছে আমাদের সবচেয়ে বড় একটা অর্জন। আমরা অসা¤প্রদায়িক চেতনা নিয়ে চলতে শিখেছি। সব ধর্মের মূল কথাই হচ্ছে- শান্তি, মানবতা।