ডবল সেঞ্চুরি ছাড়িয়ে ২৩০ নট আউট পেঁয়াজ

প্রকাশিত: ১১:৪৪ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ১৫, ২০১৯ | আপডেট: ১১:৪৫:পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ১৫, ২০১৯

পেঁয়াজের দাম ডাবল সেঞ্চুরি পেরিয়ে এখন ২৩০ নট আউট। নিত্য প্রয়োজনীয় এই ভোগ্যপণ্যের ঝাঁঝালো ইনিংসে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস। কোনোভাবেই দাম নিয়ন্ত্রণে আসছে না, বরং দিনকে দিন বেড়েই চলেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দেশি পেঁয়াজ খুচরা বাজারে ২৩০ টাকা ও পাইকারি ২০০ টাকা কেজি বিক্রি হয়েছে। যা অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি, দক্ষিণ এশিয়ার যে কোনো দেশের চেয়ে সর্বোচ্চ।

খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, গত দুই মাসে পেঁয়াজের দাম ১৮০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে, যার মধ্যে গত দুই দিনে বেড়েছে ৪০ টাকা পর্যন্ত। বুধবার রাতেও রাজধানীতে দেশি পেঁয়াজ পাইকারি ১৬৫ টাকা ও খুচরা সর্বোচ্চ ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়। কিন্তু পরদিন গতকাল সেই পেঁয়াজের দাম বেড়ে খুচরায় ২২০ থেকে ২৩০ ও পাইকারিতে ২০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এছাড়া মিয়ানমারের পেঁয়াজ ১৮০ থেকে ২০০ ও মিশরের পেঁয়াজ ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি হয়।

এ বিষয়ে বাণিজ্য সচিব ড. মো. জাফর উদ্দিন গতকাল বলেন, ‘আমরা যে পেঁয়াজ আমদানি করেছি, তা এখনো সাগরে রয়েছে। আশা করেছিলাম দ্রুত এসব পেঁয়াজ পাব, কিন্তু তা এখনো পইনি। আমদানি করা পেঁয়াজ দেশে পৌঁছাতে তো সময় লাগে। বাজারে দেশি নতুন পেঁয়াজও আসা শুরু করছে। ফলে জনগণকে আরও কিছুদিন ধৈর্য ধরতে হবে।’

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপের পরেও গত দুই মাসে পেঁয়াজের দাম ধাপে ধাপে বহুগুণ বেড়েছে, ক্রমশ বেড়ে চলা বাজার একেবারেই অস্থিতিশীল হয়ে পড়েছে। এই পাগলা ঘোড়ার রাস কিছুতেই টেনতে পারছে না বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

গণমাধ্যমের হিসাবমতে, গত ১৩ সেপ্টেম্বর দেশি পেঁয়াজ কেজি প্রতি ৫০-৫২ টাকা এবং আমদানি করা পেঁয়াজ ৪০-৪৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে। ওইদিন ভারত পেঁয়াজের ন্যূনতম রপ্তানির মূল্য ৮৫০ ডলার নির্ধারণ করলে পরদিন বাংলাদেশের বাজারে দেশি পেঁয়াজ ৬৫ ও আমদানি করা পেঁয়াজ ৬০ টাকায় বিক্রি হয়। এরপর থেকে ধারাবাহিক বাড়তে থাকে পেঁয়াজের দাম। গত ২৮ সেপ্টেম্বর ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দিলে বাংলাদেশে পেঁয়াজের দাম সেঞ্চুরি করে। তা দিনকে দিন বেড়ে সর্বশেষ গতকাল ডাবল সেঞ্চুরি করে।

-২৪ লাইভ নিউজপেপার।