প্রাথমিকের শিক্ষক হতে কাফনের কাপড় পরে অনশনে তারা

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১:৫৯ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ২১, ২০২০ | আপডেট: ১১:৫৯:পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ২১, ২০২০
PANEL TEACHER

এবার আমরণ অনশন কর্মসূচিতে নেমেছেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগ বঞ্চিতরা। গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে শরীরে কাফনের কাপড় জড়িয়ে অনশন শুরু করেন তারা।

আন্দোলনকারীরা জানান, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এই প্রতিবাদ চলবে। গত ৯ দিন ধরে প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন সহকারী শিক্ষক নিয়োগে প্যানেল প্রত্যাশীরা।

তারা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনেও প্রতিবাদী সমাবেশ পালন করেছেন। নির্দেশনা অনুযায়ী নিয়োগ বঞ্চিতরা তাদের দাবি সংবলিত কাগজপত্র জমা দিয়েছিলেন অধিদপ্তরে।

গতকাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বড় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এতে তাদের দুশ্চিন্তা আরো বেড়ে গেল। তাদের দাবি আদায়ের সম্ভাবনা ক্ষীণ হয়ে আসছে।

যদিও এর আগে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়েছিল, প্যানেলের মাধ্যমে নিয়োগের কোনো সুযোগ নেই।

নিয়োগ প্রত্যাশীরা জানান, ২০১৮ সালের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে প্রথম সারা দেশ থেকে প্রায় ২৪ লাখ পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে।

তাদের মধ্য হতে ৫৫ হাজার ২৯৫ জন লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়, যা মোট প্রার্থীর মাত্র ২ দশমিক ৩ শতাংশ। যা থেকে বোঝা যায়, যারা লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন তারা সবাই মেধাবী।

তাই, মুজিববর্ষে প্যানেল করে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ মেধাবী প্রার্থীদের নিয়োগের দাবি জানাচ্ছি। এর আগে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছিলেন তারা।

শিক্ষকের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রাজস্ব খাতভুক্ত ‘সহকারী শিক্ষক’ এর শূন্যপদ এবং জাতীয়করণ করা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পিডিইপি-৪ এর আওতায় প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণির জন্য রাজস্ব খাতে সৃষ্ট ‘সহকারী শিক্ষক’ পদে জাতীয় বেতন স্কেল, ২০১৫ এর ১৩তম গ্রেডে অস্থায়ীভাবে নিয়োগ করা হবে।

তবে তিন পার্বত্য জেলা- রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলার প্রার্থীরা এতে আবেদন করতে পারবেন না।

সহকারী শিক্ষকদের বেতন হবে জাতীয় বেতন স্কেল, ২০১৫ এর গ্রেড ১৩ অনুযায়ী ১১০০০-২৬৫৯০ টাকা।

অনলাইনে আবেদন নেয়া শুরু হবে ২৫ অক্টোবর সকাল ১০টায়, শেষ হবে ২৪ নভেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিটে। আবেদন ফি মোট ১১০ টাকা।

প্রার্থীদের বয়স ২০ অক্টোবর সর্বনিম্ন ২১ বছর এবং গত ২৫ মার্চ সর্বোচ্চ ৩০ বছর। মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান ও শারীরিক প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে হবে ২৫ মার্চ ৩২ বছর।

শিক্ষাগত যোগ্যতা হবে কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএসহ স্নাতক বা সম্মান বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে।