‘ফিলিস্তিনের পক্ষে নেয়ায়’ কাশ্মীরে ২০ জন গ্রেপ্তার

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১০:৫৩ পূর্বাহ্ণ, মে ১৬, ২০২১ | আপডেট: ১০:৫৩:পূর্বাহ্ণ, মে ১৬, ২০২১

গাজায় ইসরায়েলি দখলদার বাহিনীর অব্যাহত হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করায় ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে ২০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির পুলিশ। শৃঙ্খলা বিঘ্নিত করার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় পুলিশ।

সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুকে কাশ্মীরের আইজিপি বিজয় কুমার বলেছেন, রাজধানী শ্রীনগর থেকে ২০ জন গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইসরাইলবিরোধী নানা ধরনের পোস্ট করেছে এবং গ্রাফিতি এঁকেছে বলে অভিযোগ রয়েছে কাশ্মীরের পুলিশের কাছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে একজন তরুণ গ্রাফিতি শিল্পীও রয়েছেন।

এক বিবৃতিতে কাশ্মীরের পুলিশ জানায়, ফিলিস্তিন-ইসরাইলের বর্তমান উত্তপ্ত পরিস্থিতিকে ব্যবহার করে গ্রেপ্তারকৃতরা কাশ্মীরে শান্তি ও শৃঙ্খলা নষ্টের চেষ্টা করেছে। জনগণকে উসকে দিয়ে সহিংসতা ছড়াতে পারে এবং জননিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে এমন কোনো কিছু মেনে নেয়া হবে না।

এদিকে গাজা উপত্যকায় অবস্থিত আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা ও মার্কিন গণমাধ্যম অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) এর কার্যালয় বিমান হামলা চালিয়ে গুঁড়িয়ে দিয়েছে ইসরায়েল।

মাত্র এক ঘণ্টার নোটিশে এই ঘটনা ঘটানো হয়। আল-জাজিরার প্রকাশিত ছবিতে দেখা যাচ্ছে, ইসরায়েলের বিমান হামলার পর ভবনটি মাটির সাথে মিশে গেছে। ধোঁয়ার কুণ্ডলীতে ছেয়ে গেছে ভবনের চারপাশ। ওই ভবনে মার্কিন বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েট প্রেসেরও (এপি) কার্যালয় রয়েছে।

ইসরায়েলি দখলদার বাহিনীর অব্যাহত হামলায় গত সোমবার থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত মোট ১৩৭ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ৯২০ জন। এর মধ্যে শুক্রবার হামলায় ১১ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে শিশু ও নারীও রয়েছেন। ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা এসব তথ্য জানিয়েছেন।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি পূর্ব জেরুজালেমে ফিলিস্তিনি ও কট্টরপন্থী ইহুদিদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে দফায় দফায় যাতে অধিকাংশই ফিলিস্তিনিরা আহত হন।

ফিলিস্তিনিদের ওপর এসব হামলার জবাবে হামাস ইসরায়েলে রকেট হামলা চালায়। এরপর ইসরায়েল গাজায় ব্যাপকভাবে বিমান হামলা শুরু করে। ইসরায়েল হামাস নেতাদের দমন করতে এসব হামলা চালাচ্ছে বলে দাবি করলেও এতে নিরীহ বেসামরিক ফিলিস্তিনিরাই বেশি নিহত হচ্ছেন।