ফের সাধারণ ছুটি ঘোষণা নিয়ে যা বললেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত: ৯:১৭ অপরাহ্ণ, জুন ৪, ২০২০ | আপডেট: ৯:১৭:অপরাহ্ণ, জুন ৪, ২০২০

করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির আরও অবনতি হলে আবারও ‘সাধারণ ছুটি’ ঘোষণার চিন্তাভাবনা করবে সরকার। এজন্য আগামী ১৫ জুন পর্যন্ত সার্বিক পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে।

পাশাপাশি সাধারণ ছুটিতে অথবা ছুটি না থাকলে স্বাস্থ্য ও অর্থনীতি খাতের সার্বিক লাভ-ক্ষতির যাবতীয় তথ্য-উপাত্তও চুলচেরা বিশ্লেষণ করছেন সরকারের সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে দেশে করোনা মহামারী ভয়াবহভাবে বেড়ে যাওয়ায় পুরো দেশকে পূর্ণাঙ্গ লকডাউন করার দাবি জানিয়েছেন ৩৩৪ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি।

এমন দাবির পরিপ্রেক্ষিতে গণমাধ্যমের সামনে কথা বলেছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। তিনি বলেন, ‘যদি দেখি আমাদের অবনতি ঘটছে তাহলেতো আমাদের (ছুটিতে যাওয়া ছাড়া) বিকল্প কিছু থাকবে না। শুধুমাত্র অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে নেয়ার জন্যই সবকিছু খুলে দেয়া হয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘মানুষ যেন মাস্ক পরে নিরাপদ দূরত্বে থাকে, আমরা সেটা বলছি। যখন মানুষ এটা করতে ব্যর্থ হবে এবং এটা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়বে। তখন তো ঘরে থাকা ছাড়া উপায় থাকবে না।’

এদিকে, করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যুহার অনুযায়ী সারাদেশকে লাল, সবুজ ও হলুদ জোনে ভাগ করা হবে। বিষয়টি নিয়ে এরইমধ্যে কার্যক্রমও শুরু হয়ে গেছে। জানা গেছে, যেসব এলাকায় করোনার সংক্রমণ বেশি সেসব এলাকাকে লাল বা রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হবে। ওই এলাকার লোকদের বাইরে বের হওয়ার ক্ষেত্রে কড়াকড়ি আরোপ করা হবে। বাইরে থেকেও রেড জোনে লোকদের প্রবেশ সীমিত করার উদ্যোগ নেবে সরকার।

আর যেসব এলাকায় করোনার সংক্রমণ কম, সেসব এলাকাকে হলুদ বা ইয়েলো জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হবে। এসব এলাকার আক্রান্তদের ঘরবাড়ি লকডাউন করে সংক্রমণের বিস্তার ঠেকানো হবে। আর যেসব এলাকায় এখনো করোনা রোগী পাওয়া যায়নি, সেসব এলাকায় যাতে বাইরের কেউ ঢুকতে না পারে, সে ব্যবস্থা করা হবে।

এ বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালিক বলেন, এখনো জোন করা হয়নি। ঢাকা, নারায়াণগঞ্জ, গাজীপুর ও চট্টগ্রামে সবচেয়ে বেশি সংক্রমিত হয়েছে। যদি কোনো জোন রেড হয় সেগুলো রেড করা হবে। তবে কোন এলাকা কোন জোনে পড়বে তা নির্ধারণ করবেন বিশেষজ্ঞরা। এলাকাভিত্তিক লকডাউনের কোনো সিদ্ধান্ত হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, জোনের মাধ্যমেই সব করা হবে। যেখানে বেশি সংক্রমিত হবে সেখানে কয়েকদিনের জন্য বন্ধ রাখা হবে। তবে বিশেষজ্ঞরা যেভাবে পরামর্শ দেবেন সেভাবেই আমরা কাজ করবো।