‘বঙ্গবন্ধু কখনো লোভের কাছে আত্মসমর্পণ করেননি’

তেহসিন আশরাফ তেহসিন আশরাফ

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৪:৫৮ অপরাহ্ণ, আগস্ট ৩১, ২০১৯ | আপডেট: ৪:৫৮:অপরাহ্ণ, আগস্ট ৩১, ২০১৯
ছবি: টিবিটি

পৃথিবীতে অনেক রাষ্ট্রনায়ক আছেন, অনেক রাজনীতিক আছেন। ব্যতিক্রম শুধু বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। যিনি বয়স হবার পর থেকে আমৃত্যু বাঙালি জাতি ও বাংলাদেশকে নিয়ে স্বপ্ন দেখেছেন। বায়ান্নোর ভাষা আন্দোলনের পর থেকে তিনি স্বাধীনতা সংগ্রাম আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠেন।

ছয় দফা আন্দোলনের মাধ্যমে তিনি তাঁর স্বপ্ন বাস্তবায়নে দেশ ও জাতির মননকে এগিয়ে নিয়ে যান। তাঁর দ‚রদর্শী নেতৃত্ব ও রাজনৈতিক প্রজ্ঞার কারণেই দেশ ও জাতি একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন ও সার্বভৌমত্ব লাভ করে। তিনি যদি কোনো কিছুর সাথে আপোস করতেন বা লোভের কাছে আত্মসমর্পণ করতেন তাহলে বাংলাদেশ স্বাধীন হতে পারতো না।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে (খুবি) জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের (স্বাশিপ) উদ্যোগে শুক্রবার বিকেল ৪ টায় এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

জিয়াউর রহমান ছিলেন বঙ্গবন্ধু হত্যার মূলনায়ক দাবি করে তিনি আরো বলেন পচাত্তর পরবর্তী সময়ে বঙ্গবন্ধুর জন্য মসজিদ দোয়া অনুষ্ঠান করতে বাঁধা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এখন জীবিত মুজিবের চেয়ে মৃত মুজিব অনেক বেশি শক্তিশালী।

মুখ্য আলোচকের বক্তব্যে খুবি উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান বলেন, পচাত্তর পরবর্তী সময়ে মুক্তিযুদ্ধের পটভ‚মি তৈরির প্রেক্ষাপট সৃষ্টিতে বঙ্গবন্ধুর দ‚রদর্শী নেতৃত্ব, প্রজ্ঞাকে মুছে দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের কাহিনী অন্যভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে।

বিভিন্ন সময়ে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর অবদানকে মুছে ফেলার চেষ্টার অভিযোগ জানিয়ে তিনি বলেন বঙ্গবন্ধু অসহায় দরিদ্র খেটে খাওয়া মানুষের মনিকোঠায় হাজার বছর বেঁচে থাকবেন।

স্বাশিপের সভাপতি প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ হোসনে আরার সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য রাখেন স্বাশিপের সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. আশীষ কুমার দাস। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্কুলের ডিন, ডিসিপ্লিন প্রধান, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।