বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার অবদান ইতিহাসে বিরল: তোফায়েল আহমেদ

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৭:২৪ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৩, ২০২১ | আপডেট: ৭:২৪:অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৩, ২০২১

ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, ‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর কন্যা ঘোষণা করেছিলেন আমরা বাংলাদেশের কোনো মানুষকে ভূমিহীন এবং গৃহহীন রাখবো না। আমরা তাদেরকে গৃহ ও ভূমি দেব।

সে উপলক্ষে ভূমিহীন গৃহহীন অসহায় ছিন্নমূল পরিবারকে পুনর্বাসনের লক্ষে সারাদেশে ৬৬ হাজার ১৮৯টি ঘরের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর কন্যা বাংলাদেশের মানুষের জন্য যা করেছেন সেটা ইতিহাসে বিরল।’

শনিবার বেলা ১১টার দিকে ভোলা সদর উপজেলা পরিষদ হল রুমে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মাঝে মুজিব বর্ষ উপলক্ষে সেমিপাকা ঘর হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সে ঢাকা থেকে যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক, পুলিশ সুপার সরকার মো. কায়সার, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মমিন টুলু, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মো. মোশারেফ হোসেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক জহুরুল ইসলাম নকিব, সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইউনুছসহ প্রশাসনের কর্মকর্তা ও স্থানীয় নেতারা।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘অনেক শাসক এদেশে সরকার পরিচালনা করেছেন। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষের প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যে অনুভূতি, যে ভালোবাসা তা ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। তিনি অসহায় মানুষের জন্য দলমত নির্বেশে প্রকৃত অসহায় মানুষের জন্য বিদ্যুৎ ও পানির ব্যবস্থাসহ দুই কক্ষ বিশিষ্ট সেমি পাকা ঘর দেয়ার যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন তা অন্য কেউ গ্রহণ করেনি।’

আওয়ামী লীগের এই প্রবীণ নেতা বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোহিঙ্গা ইস্যুতে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়ে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে সাহায্য করেছেন। এছাড়াও তার নেতৃত্বে আজ পদ্মা সেতু দৃশ্যমান। আমরা আশা করি এবছরের মধ্যেই পদ্মা সেতু উদ্বোধন হবে। করোনার ভ্যাকসিন আমরা ব্যবস্থা করেছি। প্রধানমন্ত্রী নিজেই বলেছেন প্রতিটি মানুষ যার প্রয়োজন সে অনুযায়ী ভ্যাকসিন পাবে।’ এসময় তোফায়েল আহমেদ ভোলার উন্নয়নের জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

পরে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পর ভোলার সাত উপজেলার ৫২০ জন গৃহ ও ভূমিহীন পরিবারের মাঝে জমির কবুলিয়ত দলিল, নামজারি, গৃহ প্রদানের সনদ ও ঘরের চাবি সম্বলিত ফোল্ডার হস্তান্তর করা হয়।