‘বঙ্গবন্ধু মানেই বাংলাদেশ, বাংলাদেশ মানেই বঙ্গবন্ধু’

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৩:২০ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১৭, ২০১৮ | আপডেট: ৩:২০:অপরাহ্ণ, আগস্ট ১৭, ২০১৮
ফাইল ছবি।

টিবিটি রাজনীতি: আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, বঙ্গবন্ধু মানেই বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ মানেই বঙ্গবন্ধু। কারণ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যেদিন থেকে বুঝতে শিখেছেন, সেদিন থেকেই তিনি জনগণের জন্য কাজ করেছেন, জনগণের অধিকার আদায়ের জন্য সংগ্রাম করেছেন।

তিনি বলেন, এ জন্য তাকে ব্রিটিশ ও পাকিস্তান সরকারের কাছে শত্রু হতে হয়েছে। তাদের দ্বারা নির্যাতিত হতে হয়েছে। প্রায় ১৪ বছর কারাভোগ করতে হয়েছে।

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে শুক্রবার ঢাকার তেজগাঁও সরকারি শিশু পরিবারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি।

এ সময় মন্ত্রী অবহেলিত ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে নগদ টাকা, বিছানাপত্র ও খাবার বিতরণ করেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, যে বঙ্গবন্ধু তার দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রাম ও ত্যাগের মাধ্যমে বাঙালি জাতিকে একটি স্বাধীন দেশ এনে দিল, সেই বঙ্গবন্ধুকে কিছু কুচক্রী মহল ও মীরজাফর নির্মমভাবে হত্যা করল। এমনকি তার ১০ বছরের শিশুপুত্র রাসেলকে পর্যন্ত হত্যা করা হলো। এটি ভাবতেই অবাক লাগে।

তিনি বলেন, শিশু রাসেল বলেছিল, আমি মার কাছে যাব কিন্তু তাকে মার কাছে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে গুলি করে হত্যা করা হয়। আমাদের ভাগ্য ভালো যে, বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা সেদিন বিদেশে ছিল।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর ওই বছরের ২৭ সেপ্টেম্বর খোন্দকার মোস্তাক ও জিয়া ইনডেমনিটি অর্ডিনেন্স জারি করে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার বন্ধ করে রেখেছিল। পরবর্তীতে এরশাদ ও খালেদা জিয়ার সরকারও এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের বিচার করেনি বরং খুনিদের চাকরি দিয়ে বিদেশে পাঠিয়েছিল।

মন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার সাজাপ্রাপ্ত ৫-৬ জন খুনি বিদেশে অবস্থান করছেন। তাদের ফিরিয়ে এনে সর্বোচ্চ আদালতের রায় কার্যকর করার জোর প্রচেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, আমরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারণে উন্নত দেশ পেয়েছি। জিয়া, এরশাদ ও খালেদা জিয়ার আমলে বাংলাদেশ ছিল তলাবিহীন ঝুড়ি। এখন বাংলাদেশের অনেক উন্নয়ন হয়েছে। গ্রামগঞ্জে উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে। বাংলাদেশ বিশ্বে মর্যাদার আসনে পৌঁছে গেছে।

আইন ও বিচার বিভাগের সচিব আবু সালেহ শেখ মো. জহিরুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উভয় বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সমাজসেবা অধিদফতরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।