বন্ধুকে নিয়ে ছাত্রী ধর্ষণ: কারাগারে সেই ধর্ষক শিক্ষক

প্রকাশিত: ১০:২১ অপরাহ্ণ, মে ২৫, ২০১৯ | আপডেট: ১০:২৩:অপরাহ্ণ, মে ২৫, ২০১৯
ছবি: টিবিটি

স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগে সুনামগঞ্জের লন্ডন প্রবাসী অধুষ্যিত জগন্নাথপুরে বাপ্পা সেন নামের এক স্কুল শিক্ষককে বিজ্ঞ আদালত জেলা কারাগারে পাঠিয়েছেন।
বাপ্পা সেন উপজেলার সৈয়দপুর পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক ও পার্শ্ববর্তী কলকলিয়া ইউনিয়নের কাসিলা গ্রামের মলয় সেনের ছেলে।

শনিবার ওই শিক্ষককে সুনামগঞ্জ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট (জগন্নাথপুর জোন) আদালতের বিজ্ঞ বিচারক তার জামিন না মঞ্জুর করে জেলা কারাগারে প্রেরনের আদেশ প্রদান করেন।

আদালতে ওই শিক্ষক ধর্ষণের দায়ে স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দিয়েয়েছেন বলে নিম্চিত করেন জগন্নাথপুর থানার ওসি।

আরও পড়ুন : ছাত্রীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে বন্ধুকে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে শিক্ষক

ভিকটিমের পরিবারর ও থানা পুলিশ জানায়, উপজেলার সৈয়দপুর পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণিতে পড়ুয়া ছাত্রীকে একই বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক বাপ্পা সেন ফুসলিয়ে গত ৪ মার্চ বেড়ানোর কথা বলে জেলার ছাতক উপজেলার গোবিন্দগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা আব্দুস সামাদের বাড়িতে নিয়ে যান।

সেখানে কৌশলে বাপ্পা ও তার বন্ধু সামাদ মিলে ওই ছাত্রীকে জোরপূর্বক পালাক্রমে করেন। লোকলজ্জার ভয়ে এতদিন মুখ না খুললেও ওই ছাত্রী পরবর্তীতে দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে পরিবারকে ধর্ষণের বিষয়টি জানায়।

এ ঘটনায় শুক্রবার ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে বাপ্পা ও তার সহযোগী সামাদকে আসামী করে জগন্নাথপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার প্রেক্ষিতে ওইদিন বিকেলে অভিযান চালিয়ে ধর্ষণের ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত আসামী কথিত সহকারি শিক্ষক বাপ্পা সেনকে থানা পুািলশ গ্রেফতার করে।

জগন্নাথপুর থানার ওসি মো. ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য শনিবার সকালে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।