বাংলাদেশের খুব ঘনিষ্ঠ একটি এনজিও রোহিঙ্গাদের অস্ত্র দিচ্ছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২:৩৭ পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ৩১, ২০১৯ | আপডেট: ১২:৩৭:পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ৩১, ২০১৯
ছবিঃ সংগৃহিত

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন অভিযোগ করেছেন, বাংলাদেশের খুব ঘনিষ্ঠ একটি এনজিও সংস্থা রোহিঙ্গাদের অস্ত্র (দা-কুড়াল) দিচ্ছে।

সিলেটে শুক্রবার (৩০ আগস্ট) সন্ধ্যায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মন্ত্রীর সহধর্মিণী সেলিনা মোমেন আয়োজিত আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ অভিযোগ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

মহানগর আওয়ামী লীগের শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক সিটি কাউন্সিলর আজাদুর রহমান আজাদের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দা জেবুন্নেছা হক, সিটি কাউন্সিলর তারেক উদ্দিন তাজ, তওফিক বক্ত লিপন, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সালমা বাসিত, মহানগর আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক নাজনীন হোসেন, মহানগর সাধারণ সম্পাদক আসমা কামরান, মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী মারিয়াম চৌধুরী মাম্মী, সামসুননেহার মিনু বক্তব্য দেন।

এ সময় সিলেট মহানগর যুবলীগের সভাপতি আলম খান মুক্তি, খাদিমপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আফসর আহমদসহ জেলা ও মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘বিভিন্ন এনজিও প্রতিষ্ঠান ইন্দন দিচ্ছে বলে আমার কাছে খবর আছে। এ বিষয়গুলো আমরা খতিয়ে দেখছি। যারা রোহিঙ্গাদের এসব কাজে সহযোগিতা করছে তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে, শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।’

তিনি প্রশ্ন রাখেন, ‘রোহিঙ্গাদের ন্যাশনাল আইডি নেই; অথচ তারা কীভাবে এতগুলো সেলফোন ব্যবহার করছে? যার মাধ্যমে গত কয়েকদিন আগে বিশাল শোডাউন করল।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘রোহিঙ্গারা শুধু বাংলাদেশের সমস্যা নয়, সারা বিশ্বের সমস্যা। এ সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হলে কারও লাভ হবে না, সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। তাই এ বিষয়ে বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলোর সোচ্চার ভূমিকা আশা করছি।’

আব্দুল মোমেন বলেন, ‘মিয়ানমার নিশ্চিত করেছে, রোহিঙ্গারা ফিরে গেলে নিশ্চিন্তে বসবাস করতে পারবে। তাদের কেউ অত্যাচার করবে না। কিন্তু তারা এ কথা রোহিঙ্গাদের বিশ্বাস করাতে ব্যর্থ হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা তাদের (মিয়ানমার) বলেছি, আরাকানের পরিবেশের বিষয়ে বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জনের জন্য রোহিঙ্গা নেতাদের কয়েকজনকে সেখানে নিয়ে যাও, যাতে তারা পুনরায় এসে বাংলাদেশে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের বোঝাতে সক্ষম হয়। কিন্তু তারা সেটা করেনি।’