বাংলাদেশে বিএমডব্লিউ ও মার্সিডিজ বেঞ্জ তৈরি করতে চায় জার্মানি

প্রকাশিত: 1:24 PM, September 10, 2019 | আপডেট: 1:24:PM, September 10, 2019
জার্মান রাষ্ট্রদূত পিটার ফারেনহোল্টজের সাথে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। ছবি: সংগৃহীত

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল জানিয়েছেন, ‘বিএমডব্লিউ ও মার্সিডিজ বেঞ্জ গাড়ি বাংলাদেশে তৈরির প্রস্তাব দিয়েছে জার্মানি। এ লক্ষ্যে এই গাড়ির কিছু পার্টস বংলাদেশে তৈরি করা হবে এবং কিছু পার্টস বিদেশ থেকে নিয়ে আসা হবে। পরে এখানেই অ্যাসেম্বল হবে।’

সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে পরিকল্পনা কমিশনে অর্থমন্ত্রীর দফতরে বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মানির রাষ্ট্রদূত পিটার ফারেনহোল্টজের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সফরে আসা জার্মানির একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে এসব তথ্য জানান অর্থমন্ত্রী।

বিলাসবহুল গাড়ি প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান দুটির প্রস্তাব সম্পর্কে অর্থমন্ত্রী বলেন, “বিএমডব্লিউ ও মার্সিডিজ বেঞ্জ কিছু পার্টস এখানেই তৈরি করবে এবং কিছু পার্টস বিদেশ থেকে নিয়ে আসবে। পরে এখানে অ্যাসেম্বলি করবে।”

জার্মানি থেকে আসা ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দলটি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করার পর সে অনুযায়ী বাংলাদেশের তরফে পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানান অর্থমন্ত্রী। একে “খুবই উত্তম প্রস্তাব” আখ্যা দিয়ে এর সম্ভাবনা সম্পর্কে তিনি বলেন, “তাহলে আর আমাদেরকে ব্যয়বহুল গাড়ি আমদানি করতে হবে না।”

সেই সঙ্গে জিএসপি সুবিধা যেন বাতিল না হয়ে যায় এ ব্যাপারে প্রতিনিধি দলটি সর্বতোভাবে বাংলাদেশকে সহায়তার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী।

ব্যবসা-বাণিজ্যের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতে জার্মানির ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দলটি পাঁচ দিনের সফরে বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছেন।, দলটি বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মানির রাষ্ট্রদূত পিটার ফারেনহোল্টজের নেতৃত্বে আজ সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অর্থমন্ত্রীর কার্যালয়ে মাননীয় অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, জার্মানির সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক অনেক পুরনো। অনেক আগেই থেকেই তারা আমাদের দেশে বিনিয়োগ করে আসছে।

অ্যাসোসিয়েশন অব জার্মান চেম্বারস অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিকে সঙ্গে নিয়ে জার্মান এশিয়া-প্যাসিফিক বিজনেস অ্যাসোসিয়েশন জার্মান ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের এ সফরের আয়োজন করেছে। এই দলে বস্ত্র, আসবাবপত্র, জাহাজ থেকে শুরু করে পরিবেশ-প্রযুক্তি, ব্যাংকিং ও পর্যটন খাতের প্রতিনিধিরা রয়েছেন।