বাইডেনের আফগান নীতি নিয়ে ভারতের ‘অস্বস্তি’

টিবিটি টিবিটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ৫:১৭ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১৫, ২০২১ | আপডেট: ৫:১৭:অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১৫, ২০২১

আফগানিস্তান থেকে সৈন্য প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সামরিক জোট ন্যাটো। আগামী ১ মে থেকে এ প্রক্রিয়া শুরু হবে। তবে এ সিদ্ধান্তে খুশি হতে পারেনি ভারত। বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ভারতীয় প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান জেনারেল বিপিন রাওয়াত। এ খবর জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

আজ বৃহস্পতিবার (১৫ এপ্রিল) এক সুরক্ষা সম্মেলনে তিনি বলেন, আফগানিস্তান থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটো বাহিনীর প্রস্তাবিত সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়ে উদ্বিগ্ন ভারত। কারণ, সেনা প্রত্যাহারের ফলে দেশটিতে তৈরি হওয়া শূন্য স্থানটিতে “বিঘ্নকারীরা” পদক্ষেপ নিতে পারে, এমন শঙ্কা রয়েছে। আর সে ক্ষেত্রে লাভবান হতে পারে পাকিস্তান।

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে সন্ত্রাসবাদী হামলা হয়েছিল। তার পরেই সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আফগানিস্তানে সামরিক অভিযানে যায় যুক্তরাষ্ট্র। সেই ঘটনার ২০ বছর অতিক্রান্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আফগানিস্তান থেকে সব মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করছেন প্রেসিডেন্ট বাইডেন। এই মাসের ২৪ তারিখ থেকে শুরু হচ্ছে আফগানিস্তানে শান্তি ফেরানো সংক্রান্ত আলোচনা, ইস্তানবুল কনফারেন্স। আয়োজক তুরস্ক।

সেখানে যোগ দেবে ভারত, পাকিস্তান, যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, রাশিয়া, ফ্রান্স-সহ বিশটি প্রভাবশালী দেশ।

আনন্দবাজার এবং টাইমস অব ইন্ডিয়া লিখেছে, বাইডেন সরকারের নতুন কাবুল নীতি নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে ইতিমধ্যে দু দফা কথা হয়েছে আমেরিকার প্রতিনিধিদের। প্রথমে সে দেশের আফগানিস্তান সংক্রান্ত বিশেষ দূত জালমেই খলিলজাদ এবং তার পর আমেরিকার প্রতিরক্ষা সচিব লয়েড অস্টিন-এর সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে তার।

কাবুল সমস্যার আশু সমাধান যে বাইডেন চাইছেন, সে ব্যাপারে স্পষ্ট ইঙ্গিত ওয়াশিংটন থেকে তখনই পাওয়া গিয়েছিল।

ভারতীয় কর্মকর্তারা মনে করছেন, তালেবান নেতৃত্বের সহিংসতা কমানোর প্রতিশ্রুতি যতক্ষণ না বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, সম্পূর্ণ সেনা প্রত্যাহার না করাই বিবেচকের কাজ হবে। ফলে বাইডেনের সেনা সরানোর নীতি ভারতের জন্য স্বস্তিজনক নয়।

পাশাপাশি আফগান শান্তি প্রক্রিয়ায় তুরস্ককে সামিল করার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, যাতে ঘোর আপত্তি রয়েছে ভারতের।