বাগেরহাটে কর্মরত অসুস্থ সাংবাদিককে চিকিৎসার জন্য ৫০ হাজার টাকা সহায়তা দিল জেলা প্রশাসন

প্রকাশিত: ৯:৪৫ অপরাহ্ণ, মে ৮, ২০২১ | আপডেট: ৯:৪৫:অপরাহ্ণ, মে ৮, ২০২১

বাগেরহাটে কর্মরত একাত্তর টেলিভিশন ও দৈনিক কালেরকন্ঠ পত্রিকার অসুস্থ সাংবাদিক বিষ্ণুপ্রসাদ চক্রবর্ত্তীকে চিকিৎসার জন্য ৫০ হাজার টাকার আর্থিক সহায়তা দিয়েছে জেলা প্রশাসন।

শনিবার বিকেলে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক আ ন ম ফয়জুল হক অসুস্থ সাংবাদিকের শহরের শালতলার বাসায় দেখতে যেয়ে তার চিকিৎসার খোঁজ খবর নেন। পরে তিনি অসুস্থ সাংবাদিকের হাতে ওই সহায়তার টাকা তুলে দেন।

এসময়ে বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহাম্মদ মুছাব্বেরুল ইসলামসহ স্থানীয় কয়েকজন সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন।

এরআগে গত ১৬ মার্চ বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ সারহান নাসের তন্ময় সাংবাদিক বিষ্ণ ুপ্রসাদের শারীরিক অসুস্থতার খবর জানতে পেরে তার চিকিৎসার খোঁজ খবর নেন এবং তার ব্যক্তিগত উদ্যোগে এয়ার অ্যাম্বলেন্সে করে ঢাকার বিএসএমএমইউ’তে নেওয়া হয় সাংবাদিক বিষ্ণুপ্রসাদকে।

গত ৭ ফেব্রুয়ারি করোনা ভাইরাসের প্রথম ডোজ গ্রহণের পর অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর সাংবাদিক বিষ্ণুপ্রসাদ চক্রবর্ত্তীর শরীরে নানা রোগের উপসর্গ দেখা দেয়। ওই সময়ে স্বাস্থ্যবিভাগ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে নানা পরীক্ষা করেও তার শরীরে রোগ সনাক্ত করতে না পেরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ^বিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) ভর্তি করে। সেখানে দীর্ঘদিন তার চিকিৎসা চলে। সেখানে তার শরীরের নানা পরীক্ষার পর বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের গঠন করা মেডিকেল বোর্ড তার শরীরের রোগ আজও সনাক্ত করতে পারেনি। বর্তমানে তিনি বাড়িতে রয়েছেন।

সাংবাদিক বিষ্ণুপ্রসাদ চক্রবর্ত্তী বলেন, তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে অসুস্থ রয়েছি। বাগেরহাট, খুলনা ও ঢাকার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ি রোগ সনাক্ত করতে নানা পরীক্ষা নিরীক্ষা করেছি। আমার শরীরে রোগ ধরা পড়েনি। ঢাকার বিএসএমএমইউ’তে এক মাসেরও বেশি চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধায়নে ভর্তি ছিলাম। সব সময় শরীর দুর্বল লাগে, গলা ব্যাথা করে, বেশি সময় বসতে দাঁড়াতে পারিনা। আমার উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন। চিকিৎসকদের পরামর্শে এখন বাড়িতে রয়েছি।

বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক আ ন ম ফয়জুল হক বলেন, বাগেরহাটে কর্মরত সাংবাদিক বিষ্ণুপ্রসাদ চক্রবর্ত্তী গত ফেব্রুয়ারি মাস থেকে অসুস্থ আছেন। তিনি মাঠের উদ্যোমী সাংবাদিক। তার উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রশাসন সাধ্যমত চেষ্টা করছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তার চিকিৎসা সহায়তার জন্য ৫০ হাজার টাকা দেয়া হয়েছে। তিনি সুস্থ হয়ে আবারও তার পেশায় নতুন উদ্যোমে ফিরবেন সেই প্রার্থনা করছি।