বাধ্য করেছিল আকরাম-বাশাররা, সাকিবরা কি পারবে?

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২:১১ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২২, ২০১৯ | আপডেট: ১২:১১:অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২২, ২০১৯
সংগৃহীত

বাংলাদেশের জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা ১১ দফা দাবি দাওয়া নিয়ে আসেন মিরপুরের শের-এ-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। ঠিক ২০ বছর আগে অর্থাৎ ১৯৯৮ সালের একদম শেষ দিককার ঘটনা।

ক্রিকেটীয় মৌসুম হিসেব কষলে ১৯৯৮-১৯৯৯। তার মানে ক্যালেন্ডারের পাতা উল্টে হিসাব করলে, ঠিক ২০ বছর আগে প্রথম অসন্তোষের কথা প্রকাশ্যে বলে সাকিব, তামিম, মুশফিক ও রিয়াদদের পূর্বসুরিরা। বিশ বছর পর এবার আরেক প্রজন্ম নিজেদের দাবিতে সোচ্চার।

সেবার অবশ্য ১১ দফা দাবি ছিল না। একটাই দাবি ছিল, লিগ আয়োজন করতেই হবে। দল-বদলের তারিখ নিয়ে কোনোরকম তালবাহানা চলবে না। দল-বদলের সূচি আর লিগ শুরুর দিন ঠিক করতে হবে। না হয় সব রকম ক্রিকেটীয় কর্মকাণ্ড থেকে ধর্মঘট। এ দাবিতে পর দিন তারা একটি র‍্যালি করে দাবির কথা বোর্ড অফিসে জানিয়ে এসেছিলেন।

উল্লেখ্য, সেবার ঐ লিগ আয়োজন নিয়ে ছিল তালবাহানা। ঢাকার ক্লাব ক্রিকেটের আয়োজক-ব্যবস্থাপক সংগঠন সিসিডিএম লিগ শুরুর দিনক্ষণ ঠিক করা নিয়ে ছিল নানা জটিলতা।

ওই সময়ের নিজেদের দাবিতে সোচ্চার আকরাম, নান্নু, বুলবুল, আতহার, মণি, পাইলট, দুর্জয়, বাশার, সেলিম, সুজন, পাইলট, রফিক ও দুর্জয়রা জাতীয় দল থেকেও দূরে সরে গিয়েছিলেন।

অবশ্য পরে বোর্ড ও ক্রিকেটারদের মধ্যে আলাপ আলোচনায় মতৈক্যও হয়েছিল। লিগ শুরুর নিশ্চয়তা আর দল-বদলের সূচি ঘোষণার পর সে আন্দোলন থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন ক্রিকেটাররা।

বিশ বছর পর আবার ক্রিকেটাররা নিজেদের দাবিতে সোচ্চার। দেখা যাক এবার ক্রিকেটারদের ১১ দফা দাবি কীভাবে কত দ্রুত মেনে নেয় বিসিবি।

প্রসঙ্গত, বিষয়টি (১১ দফা দাবি) নিয়ে দ্রুতই সমাধানে আসবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এমন আশ্বাস দিয়েছেন বোর্ডের সিইও নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজন। তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, আমরা জানতে পেরেছি।

মিডিয়ার মাধ্যমেই আমরা জানতে পেরেছি। ফরমালি কোনো যোগাযোগ হয়নি আর অবশ্যই খেলোয়াড়েরা আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, তাদের বিষয়গুলো বোর্ডকে আমরা জানাব এবং এ ব্যাপারে পরবর্তীকালে বোর্ড সিদ্ধান্ত নেবে।’