বিএনপির আন্দোলন বেগম জিয়ার ভ্যানিটি ব্যাগে : কাদের

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৮:৪২ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৮ | আপডেট: ৮:৪২:অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৮
ফাইল ছবি।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপির নেতারা একবার বলেন রোজার ঈদের পর আন্দোলন, আবার বলেন কোরবানী ঈদের পর। দেখতে দেখতে দশ বছর পার হয়ে গেল, মানুষ বাঁচে কত বছর? বিএনপির আন্দোলন কারাগারে বেগম জিয়ার ভ্যানিটি ব্যাগে। মওদুদ সাহেবসহ অনেকে মন্ত্রী ছিলেন। বেগম জিয়া কারাগারে যাওয়ার পর ৫ শ’ কর্মী নিয়ে নেতারা রাস্তায় বের হতে পারেননি। বাসায় এয়ারকন্ডিশন রুমে বসে হিন্দি সিরিয়াল দেখেন। বিএনপি একটি ভূয়া দল। তারা জাতিসংঘ মহাসচিবের আমন্ত্রণে দেখা করার মিথ্যা কথা বলে জাতির সঙ্গে প্রতারণা করেছে।

মঙ্গলবার দুপুরে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উদ্যোগে নতুন বাজার হাইস্কুল মাঠে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ দেওয়া হয়েছে। এখন আর নামাজ-ইফতারের সময় লোডশেডিং হয় না। আর একটি বড় কাজ বাকি আছে, সেটা হলো গ্যাসের সমস্যা। এ এলাকায় গ্যাসের সার্ভে করা হচ্ছে। আগামীতে আবার ক্ষমতায় আসলে প্রতিটি ঘরে গ্যাস পৌঁছে দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনার মন আকাশের মত বিশাল। তিনি আমাকে আওয়ামী লীগের মত বড় দলের সাধারণ সম্পাদক বানিয়েছেন। বড় মন্ত্রী হয়েছি, মন্ত্রী হওয়া বড় কথা নয়। আওয়ামী লীগ সৃষ্টির পর থকে চট্টগ্রাম বিভাগের কেউ সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয় নাই। আপনাদের দোয়ায় আমি সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছি। এ সম্মান আমার এলকার জনগণের।

মন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের নেত্রী বয়স্ক ভাতা, মুক্তিযোদ্ধা ভাতা, মাতৃকালীন ছুটি দিয়েছেন। আমি এ এলাকার জনগণের স্বার্থে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসাসহ বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন ভবন এবং কয়েকশ কিলোমিটার কাচা রাস্তা পাঁকা করে দিয়েছি। আর একবার ক্ষমতায় আসতে পারলে এ এলাকার রাস্তাগুলো ফোর লেন করা হবে।

এ সময় তিনি ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদকে উদ্দেশ্য করে বলেন, মওদুদ সাহেব এলাকায় কিছুই করতে পারেননি। বরং তিনি ডাক বাংলোতে বলেছেন, ভাত ছিটালে কাকের অভাব নেই। আমাকে ভোট না দিলে রাস্তার ইট উঠিয়ে নিব। মওদুদ সাহেব একজন মৃত ব্যক্তির বাড়ি ৪০ বছর দখল করে রেখেছেন। কিন্তু রাখতে পারেননি। মওদুদ সাহেব কয়দিন পর পর বাড়িতে এসে বিএনপির নেতাকর্মীদের সমস্যায় ফেলেন। তিনি বাড়িতে বসে অবরুদ্ধের নাটক করেন।

এর অগে তিনি কবিরহাট উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত কর্মীসভা ও উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এছাড়াও তিনি কোম্পানীগঞ্জেও বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের উদ্বোধন-ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও আরএমপির প্রকল্পের অধীনে ৭০ জন দুস্থ মহিলার মাঝে ৬০ লাখ টাকার চেক বিতরণ করেন।

চরকাঁকড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী শফি উল্লাহর সভাপতিত্বে সভায় অন্যান্যদের মধ্যে নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো. শাহাব উদ্দীন, বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মিজানুর রহমান বাদল, নোয়াখালী জেলা পরিষদের সদস্য আকরাম উদ্দিন চৌধুরী সবুজ প্রমুখ বক্তৃতা করেন।