বিশ্বকাপ বিক্রি : মুখ খুললেন বিসিসিআই দুর্নীতি দমন ইউনিটের প্রধান

টিবিটি টিবিটি

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: ৬:১৭ অপরাহ্ণ, জুলাই ২, ২০২০ | আপডেট: ৬:১৭:অপরাহ্ণ, জুলাই ২, ২০২০

২০১১ বিশ্বকাপ পেরিয়েছে নয় বছর হলো। এত দিন পর অভিযোগ উঠেছে, ওই বিশ্বকাপের ফাইনাল ভারতের কাছে বিক্রি করেছে শ্রীলঙ্কা। এমন পরিস্থিতিতে শ্রীলঙ্কা জাতীয় দলের তৎকালীন প্রধান নির্বাচক ডি সিলভাসহ কয়েকজন ক্রিকেটারকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তবে এত বছর পর বিশ্বকাপ বিক্রি ইস্যুতে অবাক ভারতীয়রা। বিসিসিআইয়ের দুর্নীতি দমন বিভাগের প্রধান অজিত সিং জানালেন, ভারতের এই প্রসঙ্গ নিয়ে কোনো কথাই শোনা যাচ্ছে না।

অবশ্য এমন অভিযোগের বিরোধিতা করেন ওই বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলা শ্রীলঙ্কারই দুই সেরা খেলোয়াড় অধিনায়ক কুমার সাঙ্গাকারা এবং সেঞ্চুরিয়ান মাহেলা জয়াবর্ধনে। ফাইনাল পাতানোর প্রমানও চেয়েছেন তারা দুজন।

এতে নড়েচড়ে বসে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড ও সে দেশের সরকার। তাই ফাইনাল তদন্তের কথা জানান তারা। অবশেষে ২০১১ ক্রিকেট বিশ্বকাপ ফাইনাল নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে শ্রীলঙ্কা সরকার। শ্রীলঙ্কার পুলিশের ইন্ডিপেনডেন্ট স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন ইউনিট ওই ফাইনাল নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে।

অবশ্য ফাইনাল নিয়ে অভিযোগ তুলে এখন সুর নরম করেছেন অথুলগামাগে। তবে তাতে বন্ধ হয়নি সরকারের তদন্ত কার্যক্রম। তদন্তের স্বার্থে ইতোমধ্যে শ্রীলঙ্কার সাবেক অধিনায়ক ও সেই সময়ের প্রধান নির্বাচক অরবিন্দ ডি সিলভাকে ৬ ঘণ্টা জেরা করেছে শ্রীলঙ্কার নবগঠিত ক্রীড়া সম্পর্কিত এন্টি করাপশন ইউনিট।

ডি সিলভার পর বিশ্বকাপের ওই ফাইনাল ম্যাচে ৩০ মিনিট ক্রিজে থেকে ২০ বলে ২ রান করা ওপেনার উপুল থারাঙ্গাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে শ্রীলঙ্কান পুলিশ। থারাঙ্গার পর বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছে সেই ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান মাহেলা জয়াবর্ধনে ও অধিনায়ক কুমার সাঙ্গাকারাকে।

এবার বিশ্বকাপ ফাইনাল বিক্রি নিয়ে মুখ খুলেছেন বিসিসিআইয়ের দুর্নীতি দমন শাখার প্রধান অজিত সিংহ। ‘দ্য উইক’ এর সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘১০ বছর পর এই বিষয়টি উঠে আসায় আমি অবাক। আমার অভিজ্ঞতা বলে, তদন্ত করতে যত দেরি হবে প্রমাণ মিলতে তত দেরি হবে।’

দুর্নীতি নিয়ে কোনও তদন্ত শুরু হলে তা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলেরই করা উচিত বলে মনে করেন তিনি। তার যুক্তি, ‘বিশ্বকাপ খেলা হচ্ছিল আইসিসির অধীনে। তাই দুর্নীতি সংক্রান্ত যদি কোনও অভিযোগ ওঠে তবে তা আইসিসিরই তদন্ত করা উচিত। আর ভারতে ওই ম্যাচ নিয়ে কোনও প্রশ্ন ওঠেনি।’