বুমরাহ-স্টার্ক-আর্চার হতে পারেন তাসকিন!

টিবিটি টিবিটি

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: ১:২৪ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২৩, ২০২০ | আপডেট: ১:২৪:অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২৩, ২০২০
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বের অনেক দলের বোলিং আক্রমণেই তুরুপের তাস থাকেন কেউ একজন। ইনিংসের শুরুতে, মাঝে কিংবা শেষে, উইকেট শিকারের প্রয়োজনে বা ব্যাটসম্যানকে ভড়কে দিতে, বল তুলে দেওয়া হয় তার হাতে। বাংলাদেশ দলেও তেমন কাউকে খুঁজছেন রাসেল ডমিঙ্গো।

ক্রিকেট বিশ্বে বর্তমানে আক্রমণাত্মক পেসারদের কথা বললেই মিচেল স্টার্ক, জোফরা আর্চার, জাসপ্রিত বুমরাহ কিংবা কাগিসো রাবাদার নাম চলে আসে। প্রতিটি বোলারই অধিনায়কের চরম ভরসার নাম। ব্রেক থ্রু বা উইকেট লাগলেই তাদের হাতে বল তুলে দেন অধিনায়করা। বাংলাদেশে এমন ভরসা করার মতো পেসার খুব একটা তুলে আনতে পারেনি। তবে তাসকিন আহমেদ কিংবা সৈয়দ খালেদ আহমেদ সেই অভাব পূরণ করতে পারে বলে বিশ্বাস টাইগার কোচ রাসেল ডমিঙ্গোর।

এবারের করোনাকালীন সময়ে ফিটনেসে দারুণ উন্নতি করেছেন তাসকিন। গতিময় বোলিংয়ে আছেন ছন্দে। এদিকে খালেদ লম্বা ইনজুরি ধকল কাটিয়ে গতি ও বাউন্সারে চমকে দিচ্ছেন। ডমিঙ্গোও এমন আগ্রাসী ঘরানার বোলার চাইছিলেন। যারা আক্রমণাত্মক মনোভাবের সঙ্গে গতি, বাউন্সে ভড়কে দিতে পারবেন ব্যাটসম্যানদের।

চলতি প্রেসিডেন্টস কাপে তাসকিন ও খালেদের বোলিং দেখে তাদের নিয়ে তাই আশা করছেন ডমিঙ্গো। ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে প্রোটিয়া কোচ বলেন, ‘সব আন্তর্জাতিক দলেই সাদা বলের ক্রিকেটে এমন একজন ফাস্ট বোলার আছে, দলের উইকেট প্রয়োজন হলে যাকে আক্রমণে আনা হয়। ইংল্যান্ড আনে আর্চারকে, অস্ট্রেলিয়া স্টার্ককে, দক্ষিণ আফ্রিকা রাবাদাকে, ভারত বুমরাহকে। যখন থেকে আমি এখানে এসেছি, তাই তখন থেকেই বলছি যে কিছু ভালো ফাস্ট বোলার গড়ে তোলা জরুরি।’

‘ফাস্ট বোলারদের যত বেশি সম্ভব খেলাতে হবে, বিশেষ করে দেশের বাইরে লড়াই করতে হলে। এখন যে অবস্থা আছে, তাতে আমি ভীষণ রোমাঞ্চিত। তাসকিন যেভাবে বল করছে, সেটা দেখুন। এটা দারুণ যে আমাদের হাতে এখন সেরকম বিকল্প আছে। খেলায় যখন হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, কেউ এসে খুব গতিময় বল করতে পারে। তাসকিন বা খালেদরা বাউন্সারে ব্যাটসম্যানকে ভড়ক দিতে পারে। আমার জন্য এটা খুবই সন্তুষ্টির।’

তবে কেবল তাসকিন, খালেদ নয় প্রেসিডেন্টস কাপে বাকি পেসারদের বোলিংয়ে সন্তুষ্ট ডমিঙ্গো। তিনি বলেন, ‘এই প্রেসিডেন্ট কাপের একটি প্রাপ্তির কথা বলতে হলে আমি ফাস্ট বোলারদের পারফরম্যান্সের কথা বলবো। সংবাদমাধ্যম ও ভক্তরা এটা নিয়ে রোমাঞ্চিত হতে পারে। দেশের বাইরে গিয়ে আমরা একমুখি দল হতে চাই না। প্রেসিডেন্টস কাপে ফাস্ট বোলাররা যখন ব্যাটসম্যানদের অস্বস্তি করে তুলছে, সেটি দেখে আমি রোমাঞ্চিত।’