বুড়িগঙ্গা নদীতে বর্জ্য ফেলাকে কেন্দ্র করে বন্দর কর্মকর্তাকে ধাওয়া

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৭:২৫ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১৯ | আপডেট: ৭:২৫:অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১৯

বুড়িগঙ্গা নদীতে বর্জ্য ফেলাকে কেন্দ্র করে ঢাকা নদী বন্দরে (সদরঘাট) যাত্রী ও বন্দর সংশ্লিষ্টদের মধ্যে হাতাহাতি ও মারধরের ঘটনা ঘটেছে। ওই ঘটনায় উত্তেজিত যাত্রীরা ঢাকা নদী বন্দর কর্মকর্তাকে ধাওয়া দেয় ও নাজেহালের চেষ্টা করে। পরে আনসার ও লঞ্চ মালিক-কর্মচারীদের মধ্যস্থতায় ওই ঘটনার সুরাহা হয়।

শুক্রবার এ ঘটনা ঘটে। এর আগে বৃহস্পতিবার হকার উচ্ছেদ নিয়ে পারাবত-৯ লঞ্চের কর্মচারীদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে বন্দর সংশ্লিষ্টরা।

সংশ্লিষ্টরা জানান, বাগেরহাট-২ লঞ্চ থেকে পিকনিকের যাত্রীরা নদীতে বর্জ্য ফেলেন। ওই ঘটনার প্রতিবাদ জানান বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) যুগ্ম পরিচালক ও ঢাকা নদী বন্দর কর্মকর্তা একেএম আরিফ উদ্দিন।

এক পর্যায়ে তার সঙ্গে থাকা আনসার দিয়ে কয়েকজন যাত্রীকে লঞ্চ থেকে নামিয়ে আনেন। এ ঘটনায় ওই লঞ্চের যাত্রীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তারা বন্দর কর্মকর্তাকে ধাওয়া ও মারধর করতে উদ্যত হয়। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে বন্দর কর্মকর্তা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে সরে বন্দর ভবনের দোতলায় চলে যান।

আনসার সদস্যরা ওই ভবনের ওপরে উঠার দরজা বন্ধ করে দেন। পরে বিষয়টি নিয়ে সমঝোতা হলে বাগেরহাট-২ লঞ্চটি পিকনিকের উদ্দেশে রওয়ানা হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে একেএম আরিফ উদ্দিন বলেন, আমি নদী পরিদর্শনে যাওয়ার পথে দেখি লঞ্চ থেকে সকালের নাস্তার বক্স নদীতে ফেলা হচ্ছে। এর প্রতিবাদ জানাই। আমার আনসাররা কয়েকজন যাত্রীকে ধরে নিয়ে আসলে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে ওইসব বর্জ্য নৌকা দিয়ে অপসারণ করলে লঞ্চ ছাড়ার অনুমতি দেই।

যাত্রীদের শারীরিক লাঞ্ছনার অভিযোগ করে বাগেরহাট-২ লঞ্চের মালিক মো. আওলাদ হোসেন বলেন, পিকনিকের যাত্রীদের কেউ কেউ নাস্তার প্যাকেট নদীতে ফেলেছে। পরে বন্দর কর্মকর্তার নির্দেশে নদী থেকে সেগুলো উঠিয়ে আনা হয়।

এরপরও আনসার দিয়ে কয়েকজন যাত্রীকে ধরে এনে পল্টুনের ওপর মারধর করা হয়। এতে অন্য যাত্রীরা ক্ষিপ্ত ও উত্তেজিত হয়ে তাকে ধাওয়া দেয়। আনসার সদস্যরা তাকে নিরাপদে সরিয়ে নেয়।

তিনি বলেন, নদী দূষণ হলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া যেত। কিন্তু যাত্রীদের মারধর করার এখতিয়ার বন্দর কর্মকর্তার নেই।