বড়লেখায় ভূমি ও গৃহহীনদের সরকারী ঘর বরাদ্দের দাবিতে মানববন্ধন

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৭:৪২ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৩, ২০২১ | আপডেট: ৭:৪২:অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৩, ২০২১

আব্দুর রব, বড়লেখা (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি: বড়লেখা উপজেলার সাতকরাকান্দি গ্রামে ভূমি ও গৃহহীনদের সরকারী ঘর বরাদ্দের দাবিতে মানববন্ধন হয়েছে। বুধবার বিকেলে সাতকরাকান্দি গ্রামের ভূমি ও গৃহহীনদের পক্ষে স্থানীয় এলাকাবাসী এ মানববন্ধনের আয়োজন করেন।

সমাজসেবক আজির উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও ছাত্রলীগ নেতা বিপ্লব পুরকায়স্থ ও তানভীর আহমদ তানিনের যৌথ সঞ্চালনায় ঘন্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত মানববন্ধন সমাবেশে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আজিজ, উপজেলা যুবলীগ নেতা এনাম উদ্দিন, সমাজসেবক রয়ফুল ইসলাম, নিজাম উদ্দিন, মুছব্বির আলী, ফখর উদ্দিন, পল্লী চিকিৎসক বেলাল আহমদ, বলাই মিয়া, আজিজুর রহমান, আখই মিয়া, জামাল উদ্দিন, বিজয় দাস, প্রদ্যুৎ দাস, বিপ্লব দাস, নজরুল ইসলাম, ভূমিহীন ও গৃহহীন খলিলুর রহমান, আয়েশা বেগম, রাবিয়া বেগম, আব্দুল জলিল, রাজু আহমদ, ইসলাম উদ্দিন, হানাই বেগম, রুনা বেগম, সফিক উদ্দিন, রোকেয়া বেগম, সুজানা বেগম, আয়াতুন নেছা প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, মুজিববর্ষ উপলক্ষে কাবিটা কর্মসূচির আওতায় ভূমিহীন ও গৃহহীনদের দুর্যোগ সহনীয় পাকাঘর নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় বড়লেখা উপজেলার সদর ইউনিয়নের সাতকরাকান্দি গ্রামে ১০টি পরিবারকে পাকাঘর নির্মাণ করে দেয়া হচ্ছে। যাদের জায়গায় এই ঘরগুলো তৈরি করে দেয়া হচ্ছে।

তাদের নাম তালিকায় রাখা হয়নি। প্রকৃত ভূমিহীন ও গৃহহীনদের নাম রহস্যজনক কারণে বাদ দিয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সিরাজ উদ্দিন অন্য এলাকার লোকজনদের তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করেছেন।

এই তালিকায় সাতকরাকন্দি গ্রামের কোনো ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের নাম নেই, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। তারা পুনরায় যাচাইবাছাই করে এলাকার প্রকৃত ভূমিহীন ও গৃহহীনদের নাম তালিকায় অন্তর্ভূক্তের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান।

এ বিষয়ে ইউনএনও মো. শামীম আল ইমরান জানান, মুজিববর্ষ উপলক্ষে কাবিটা কর্মসূচির আওতায় ভূমিহীন ও গৃহহীনদের দুর্যোগ সহনীয় পাকাঘর নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় উপজেলায় ৫০টি পরিবারকে পাকা ঘর তৈরি করে দেয়া হচ্ছে, যা হস্তান্তর পর্যায়ে।

এর মধ্যে সদর ইউনিয়নের সাতকরাকান্দি গ্রামে ১০টি গৃহহীন পরিবার রয়েছে। যাচাইবাছাই করে এলাকার প্রকৃত ভূমিহীন ও গৃহহীনদেরই ঘর বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। যাদের ঘর নেই, ধারাবাহিকভাবে তাদেরও সরকারী ঘরে তৈরি করে দেয়া হবে।