ভর্তি শেষে হাবিপ্রবিতে ৩২৩ আসন ফাঁকা, জালিয়াতির অভিযোগ ভিত্তিহীন

প্রকাশিত: ৭:৪৩ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৪, ২০২০ | আপডেট: ৭:৪৪:অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৪, ২০২০
ছবি: টিবিটি

দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) ২০২০ সেশনের স্নাতক (অনার্স) প্রথম বর্ষের প্রথম অপেক্ষমান তালিকার ভর্তি কার্যক্রম শেষে ৩২৩ টি আসন ফাঁকা রয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভর্তি পরীক্ষা কমিটির সহ সদস্য সচিব অধ্যাপক ড. মোঃ মফিজউল ইসলাম। গতকাল (১৩ জানুয়ারি) ও আজ পুরো দিনব্যাপী চলে প্রথম অপেক্ষমান তালিকার ভর্তি কার্যক্রম।

ভর্তি পরীক্ষা কমিটির তথ্য অনুযায়ী ‘এ ‘ ইউনিটে ৫৬ টি, ‘বি’ ইউনিটে ২২৩ টি, ‘সি’ ইউনিটে ১১ টি ও ‘ ডি ‘ ইউনিটে ৩৩ টি আসন ফাঁকা রয়েছে।

এদিকে মুক্তিযুদ্ধ কোটায় এক শিক্ষার্থীর রিপোর্টিং ও ‘ বি ‘ ইউনিটের ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের অটোমাইগ্রেশন জটিলতার বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও ভর্তি পরীক্ষা কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক ড. মোঃ খালেদ হোসেইন বলেন, ” ২রা জানুয়ারি মুক্তিযুদ্ধ কোটায় এক শিক্ষার্থী( কোটায় ১ম ) রিপোর্টিং করার সময় রেজিস্ট্রার খাতায় স্বাক্ষর না করে চলে যায়। কিন্তু রিপোর্টিয়ের বাকি সকল কাজ তিনি সম্পন্ন করেন। যেহেতু রেজিস্ট্রার খাতায় তাঁর স্বাক্ষর ছিলোনা সেজন্য তাকে বাদ দিয়েই আমরা মুক্তিযুদ্ধ কোটার ফলাফল প্রকাশ করি।

যার কারণে তাকে পুনরায় নিতে শেষ থেকে এক শিক্ষার্থীকে বাদ দেয়া হয়েছে। এ কারণে পুনরায় সংশোধিত ফলাফল বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে আজ নতুন করে প্রকাশ করা হয়। আবার ‘ বি ‘ ইউনিটে করিগরি ত্রুটির কারণে অটোমাইগ্রেশন প্রক্রিয়ায় সমস্যা দেখা দিয়েছে। তবে উক্ত সমস্যা দ্বিতীয় অপেক্ষমান তালিকার শিক্ষার্থী ভর্তি করানোর পূর্বেই সমাধান করা হবে । এখানে কোনো প্রকার জালিয়াতি হয়নি। মূলত আর্কিটেকচারের লিখিত পরীক্ষার কারণে করিগরি সমস্যাটি দেখা দেয় “।

অন্যদিকে, দ্বিতীয় মেধাতালিকার ফাঁকা আসনসমূহ অতিদ্রুত সময়ের মাঝেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেছে ভর্তি পরীক্ষা কমিটি।

উল্লেখ্য, ১৯ জানুয়ারি সেন্ট্রাল অরিয়েন্টেশন ও ২০ জানুয়ারি থেকে ক্লাস শুরু হবার কথা রয়েছে ২০২০ সেসনের শিক্ষার্থীদের।ভর্তি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে (www.hstu.ac.bd) এ পাওয়া যাচ্ছে।