ভারতকে জাপানের সমর্থন, চীন সাগরে যুক্তরাষ্ট্রের রণতরী

টিবিটি টিবিটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১০:০১ অপরাহ্ণ, জুলাই ৪, ২০২০ | আপডেট: ১০:০১:অপরাহ্ণ, জুলাই ৪, ২০২০

লাদাখে চীন ও ভারত সেনাদের সংঘর্ষের পর দুই দেশের মধ্যে দুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে। এমন পরিস্থিতিতে সীমান্ত বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধানে ভারত সরকারের নীতির প্রতি সমর্থন জানিয়েছে জাপান।

এদিকে চীন-ভারতের উত্তেজনার মধ্যেই দক্ষিণ চীন সাগরে শনিবার (৪ জুলাই) সামরিক মহড়া চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার বা রণতরী।

ভারতের প্রভাবশালী গণমাধ্যম এনডিটিভি খবরে বলা হয়েছে, লাদাখ সীমান্তের ওই উত্তেজনা নিয়ে টোকিওকে অবহিত করেছে দিল্লি। চলমান বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধানের আশা প্রকাশ করেছে জাপান। একই সঙ্গে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার (এলএসি) স্থিতাবস্থার যেকোনও পরিবর্তনের বিরুদ্ধে অবস্থান টোকিও’র।

ভারতে নিযুক্ত জাপানি দূত সাতোশি সুজুকি শুক্রবার এক টুইট বার্তায় লিখেছেন, ‘পররাষ্ট্র সচিব হর্ষবর্ধন শ্রিংলার সঙ্গে ভালো আলোচনা হয়েছে। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার পরিস্থিতি নিয়ে যে ব্রিফিং করেছেন তার প্রশংসা করছি। একই সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য ভারত সরকারের নীতিরও প্রশংসা করছি। জাপান আলোচনার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আশা করে। একই সঙ্গে স্থিতাবস্থা নষ্টের যেকোনও একক প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে জাপানের অবস্থান।’

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী বলেছে, বিরোধপূর্ণ দক্ষিণ চীন সাগরে শনিবার সামরিক মহড়া চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার বা রণতরী। চীন যখন ওই অঞ্চলে সামরিক কসরত করছে এবং তা নিয়ে সমালোচনা উঠেছে পেন্টাগন ও প্রতিবেশী দেশগুলোতে, তখন সেখানে ওই দুটি যুদ্ধজাহাজবাহী রণতরী পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

যুক্তরাষ্ট্রের রণতরী এমন সময় মহড়া দিচ্ছে যখন হংকংয়ের সঙ্গে বাণিজ্য নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে বর্তমানে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। হংকং ইস্যুতে জাতীয় নিরাপত্তা আইন পাস করেছে চীন। এ নিয়ে উত্তপ্ত হোয়াইট হাউজ।

মার্কিন নৌবাহিনী এক বিবৃতিতে বলেছে, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল উন্মুক্ত ও খোলা রাখার ব্যাপারে সহযোগিতা দিতে দক্ষিণ চীন সাগরে অপারেশন ও মহড়া চালিয়ে যাচ্ছে ইউএসএস নিতিটজ এবং ইউএসএস রোনাল্ড রিগ্যান। তবে দক্ষিণ চীন সাগরের কোন অংশে তারা এ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে তা ঠিক করে বলা হয় নি।

এক মাসেরও বেশি সময় ধরে লাদাখ সীমান্তে ভারত ও চীনের মধ্যে উত্তেজনার পর গত ১৫ জুন উভয় পক্ষ সংঘাতে জড়ায় দুই দেশের সেনারা। এতে ভারতের ২০ সেনা নিহত ও অপর ৭৬ জন আহত হয়। ভারত দাবি করে আসছে, চীনের অন্তত ৪৫ জন হতাহত হয়েছে। তবে চীন সরকারিভাবে কোনও হতাহতের খবর জানায়নি। দুই দেশই পরস্পরের বিরুদ্ধে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছে।