ভারতে করোনায় এক সপ্তাহে ২ মন্ত্রীর মৃত্যু

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৬:০৫ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১৮, ২০২০ | আপডেট: ৬:০৫:অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১৮, ২০২০

ভারতের বিহারে প্রথম দফায় নির্বাচনের আগে করোনা-অস্ত্রেই নীতীশ কুমারের সরকারকে ঘায়েল করার চেষ্টা করলেন প্রধান বিরোধী দল আরজেডির নেতা তেজস্বী যাদব।

তিনি বলেছেন, মহামারি করোনায় বিহারে এক সপ্তাহের ব্যবধানে দুই মন্ত্রী মারা গেছেন। এছাড়া করোনায় সাধারণ মানুষের মৃত্যু নিয়েও নীতীশ সরকার উদাসীন বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এই সময়ের খবর

সোমবার (১২ অক্টোবর) করোনায় সংক্রমিত হয়ে বিহারের পিছড়ে বর্গ ও অতি পিছড়ে বর্গ কল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রী বিনোদ সিং (৫০) দিল্লিতে মারা যান। বিনোদ ছিলেন বিজেপির বিধায়ক। উত্তরপূর্ব বিহারের কাটিহার জেলার পরানপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে জিতে মন্ত্রী হয়েছিলেন তিনি। ওই কেন্দ্রে তিনি ছিলেন তিন বারের বিধায়ক।

গত জুনে প্রথম কোভিড ধরা পড়েছিল নীতীশ মন্ত্রিসভার এই সদস্যের। পরে ১৬ আগস্ট দিল্লির একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন। প্রায় একমাস ধরে লড়াই চালিয়ে সোমবার মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের কারণে মারা যান বিনোদ সিং।

এদিকে গত শুক্রবার করোনায় মারা গেছেন রাজ্যের আরো এক মন্ত্রী কপিল দেও কামাত। বিহারের পঞ্চায়েতি রাজমন্ত্রী ছিলেন কপিল। পটনার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। করোনার কারণে শেষ পর্যন্ত কিডনি কাজ না করায় তিনি মারা যান বলে এই সময়ের প্রতিবেদনে জানানো হয়।

বিহারের বিরোধী মহাজোটের মুখ মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব শনিবার রাজ্যের এই দুই মন্ত্রীর মৃত্যুর কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘কোভিড নিয়ন্ত্রণে নীতীশ সরকার ব্যর্থ। কোভিড বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার অজ্ঞ। তাই সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যে উদ্বেগের লেশ মাত্র নেই।’

শুধু নীতীশ নন, বিহারের স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধেও এক হাত নেন লালুপুত্র। তিনি বলেন, ‘বিহারে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী মঙ্গল পান্ডে কিছুই করেননি। রাজ্যের নির্বাচনে জেতাই তার একমাত্র ধ্যানজ্ঞান।’

সংবাদ সংস্থাকে তেজস্বী আরো বলেন, ‘বিহারের মানুষ সবকিছুই দেখছেন। নীতীশ সরকারকে তারা ক্ষমা করবেন না।’

আগামী ২৮ অক্টোবর প্রথম দফার ভোট রয়েছে বিহারে। এ রাজ্যে এখন পর্যন্ত করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন দুই লাখ দুই হাজার ২৯০ জন। রাজ্যের দুই মন্ত্রীসহ মৃত্যু হয়েছে ৯৮১ জনের। সক্রিয় সংক্রমণের সংখ্যা ১০ হাজার ৮৮৪ জন।