ভুয়া অ্যাপ চিনতে কিছু নির্দেশনা

প্রকাশিত: ১:২৫ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১৭, ২০১৮ | আপডেট: ১:২৫:অপরাহ্ণ, আগস্ট ১৭, ২০১৮

বিশ্ব এখন হাতের মুঠোয়। তথ্য-প্রযুক্তির কল্যাণে অসম্ভবকে সম্ভব করা সহজ হয়েছে। একটি স্মার্টফোন আমাদের জীবনযাত্রার মানকে করেছে সহজ থেকে সহজতর। স্মার্টফোন ব্যবহারের অধিকাংশ সুযোগ-সুবিধাই পেয়ে থাকি নানান অ্যাপ ব্যবহার করে।

অধিকাংশ ক্ষেত্রে আসল অ্যাপ সঠিকভাবে না চিনতে পারার কারণে ভুয়া অ্যাপ ডাউনলোড করে ফেলি। তবে ভুয়া অ্যাপ ডাউনলোডের পরিণতিও হয় ভয়াবহ।

যদি স্মার্টফোনটিতে ভুয়া অ্যাপ ডাউনলোড হয়ে যায় তাহলে ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস হওয়ার ঝুকি থাকে। যা সবার জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ।

সে করণে সবসময় জেনুইন অ্যাপই ডাউনলোড করতে হবে। তবে কাজটি বেশ কঠিন। কারণ অনলাইনে প্রায় সবখানেই রয়েছে ভুয়া অ্যাপের ছড়াছড়ি।

১.সর্বদা অফিসিয়াল অ্যাপ স্টোর থেকে অ্যাপ ডাউনলোড করুন সব সময় অফিসিয়াল অ্যাপ স্টোর থেকেই অ্যাপগুলো ডাউনলোড করুন। অফিসিয়াল অ্যাপ স্টোরগুলোতেও অনেক সময় ক্ষতিকারক অ্যাপ খুঁজে পাওয়া গেলেও কর্তৃপক্ষ সেগুলো খুব তাড়াতাড়ি সরিয়ে ফেলতে সচেষ্ট থাকেন।

২.অ্যাপ এর বিবরণ জানতে হবে কোনো অ্যাপে প্রচুর বানান বা ব্যাকরণগত ভুল খুঁজে পেয়েছেন? তাহলে বুঝতে হবে এটি ভুয়া । কারণ, অ্যাপের মৌলিক বিবরণে এ ধরনের ভুল থাকা মানেই হলো সেই অ্যাপটি ভুয়া হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

৩.রিভিউগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করুন কোনো অ্যাপ ডাউনলোড করার আগে তার রিভিউগুলো পড়ে নেয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। যদি কোনো অ্যাপ ভুয়া হয়ে থাকে তবে নির্দিষ্ট কিছু রিভিউ এ কেউ না কেউ তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করবেনই। তাই কোনো অ্যাপ ডাউনলোড করার আগে অ্যাপটির বিষয়ে অন্যরা কি বলেছে তা দেখে নিতে ভুলবেন না।

৪. ডাউনলোডের সংখ্যাকেও বিবেচনা করুন কোনো অ্যাপ আসল না ভুয়া তা যাচাই করার এটি খুবই ভালো একটি সূচক। যদি ডাউনলোডের সংখ্যা অনেক বেশি হয় তাহলে বুঝতে হবে এটি ভুয়া হওয়ার সম্ভবনা কম।

তবে মনে রাখবেন, উপরের পয়েন্টগুলোই একটি অ্যাপ আসল না ভুয়া তা যাচাই করার করার জন্য ধ্রুবক নয়। এছাড়াও এক্ষেত্রে আরো বিভিন্ন উপায়ে চেষ্টা করা যেতে পারে।