ভোজ্যতেলের দামের লাগাম টানতে নতুন উদ্যোগ

প্রকাশিত: ৯:০৪ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১৯, ২০২১ | আপডেট: ৯:০৪:অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১৯, ২০২১
ফাইল ছবি

এবার পরিশোধিত পাম তেলের উপর ৪ শতাংশ অগ্রিম কর প্রত্যাহার করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। সোমবার (১৯ এপ্রিল) এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

এর আগে গত ১২ এপ্রিল ভোজ্যতেলের বাজার নিয়ন্ত্রণে আমদানি করা সয়াবিন ও অপরিশোধিত পাম তেলে আরোপিত ৪ শতাংশ অগ্রিম আয়কর (এআইটি) প্রত্যাহার করেছিল রাজস্ব বোর্ড।

এছাড়া গত ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রথম দফায় ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ করে দেয় সরকার।

এ প্রসঙ্গে এনবিআর পরিচালক (জনসংযোগ) সৈয়দ এ মুমেন বলেন, পবিত্র রমজানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের অংশ হিসেবে এনবিআর এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

প্রসঙ্গত, ভোজ্য তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও এনবিআরের মধ্যে কয়েক দফা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে অপরিশোধিত সয়াবিন ও পাম তেল আমদানিতে আরোপিত কর ও ভ্যাট যৌক্তিক হারে নির্ধারণের জন্য এনবিআরকে অনুরোধ করা হয়।

এর আগে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সচিবালয়ে অত্যাবশ্যকীয় পণ্য বিপণন ও পরিবেশক বিষয়ক জাতীয় কমিটির সভা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি অভিন্ন মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি অনুযায়ী প্রতি লিটার ভোজ্য তেলের মূল্যের সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করার ঘোষণা দেন।

ঘোষণা অনুযায়ী, প্রতি লিটার সয়াবিন (খোলা) মিল গেটে ১০৭ টাকা, পরিবেশক মূল্য ১১০ টাকা এবং খুচরা মূল্য ১১৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতিলিটার বোতলজাত সয়াবিন মিলগেট মূল্য ১২৩ টাকা, পরিবেশক মূল্য ১২৭ টাকা এবং খুচরা মূল্য ১৩৫ টাকা। পাঁচ লিটার বোতলজাত সয়াবিন মিলগেট মূল্য ৫৮৫ টাকা, পরিবেশক মূল্য ৬০০ টাকা এবং খুচরা মূল্য ৬২৫ টাকা। আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত সয়াবিন ও পাম তেলের বাজার অস্থিতিশীল থাকায় দেশের পরিশোধনকারী মিল ও ভোক্তাস্বার্থ বিবেচনায় ভোজ্য তেলের মূল্য সীমা নির্ধারণ করে দেয় সরকার।

ভোজ্য তেলের মধ্যে সয়াবিন, পাম ও পাম অলিন তেলের ওপর আমদানি পর্যায়ে ১৫ শতাংশ ভ্যাট ও ৫ শতাংশ আগাম কর (এটি), উৎপাদন পর্যায়ে ১৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বিক্রয় ও সরবরাহ পর্যায়ে সর্বোচ্চ খুচরা মূল্যের ওপর ৫ শতাংশ হারে ভ্যাট রয়েছে। এর মধ্যে ধাপে ধাপে আমদানি পর্যায়ে আগাম কর প্রত্যাহার করা হয়েছে।