মাটির নিচে ক্ষেপণাস্ত্র শহর গড়ছে ইরান!

টিবিটি টিবিটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ৭:৫২ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ৯, ২০১৯ | আপডেট: ৭:৫২:অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ৯, ২০১৯

ইরান এই প্রথম ভূগর্ভস্থ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নির্মাণের একটি শহরের কথা প্রকাশ করেছে। পাশাপাশি ভূমি থেকে ভূমিতে আঘাত হানার উপযোগী চৌকস ক্ষেপণাস্ত্র দেজফুলও উন্মোচন করেছে ইরান। ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি অ্যারোস্পেস বা বিমানমহাকাশ ডিভিশনের জন্য ভূগর্ভস্থ কারখানায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করা হয়। এ ক্ষেপণাস্ত্রের সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে আঘাত হানার সক্ষমতা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ এ শহরের কথা প্রকাশ করেন আইআরজিসির প্রধান কমান্ডার মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আলি জাফরি।

ইরানের সামরিক বাহিনীর জেনারেল মোহাম্মদ আলি জাফরি বলেন, ভূগর্ভের অনেক গভীরে অবস্থিত ক্ষেপণাস্ত্র নির্মাণ শহরের কথা প্রকাশের মধ্য দিয়ে পশ্চিমা একশ্রেণীর জনগোষ্ঠীর বোকামিসুলভ কথাবার্তার জবাব দেয়া হলো।

মধ্যপ্রাচ্যে প্রভাব বিস্তার এবং চিরশত্রু দেশগুলোকে মোকাবেলা করার অংশ হিসেবে দেশটির ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি অ্যারোস্পেস বা বিমান মহাকাশ ডিভিশনের জন্য ভূগর্ভস্থ কারখানায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করা হচ্ছে।

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকানোর সাধ্য নেই ইসরাইল-আমেরিকার

ইরানের নতুন হোভেইজে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকানোর সাধ্য আমেরিকা এবং ইসরাইলের নেই বলে সম্প্রতি অজ্ঞাত সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে ইসরাইলের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার ওয়েবসাইট দেবকাফাইল। নতুন এ ক্ষেপণাস্ত্রের নামকরণ করা হয়েছে ইরানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় হোভেইজে শহরের নামে।

রোববার দেবকফাইল জানায়, ইরানের হোভেইজে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ইসরাইল ও আমেরিকার সব ধরনের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।

দেবকাফাইল আরো জানায়, ইরানের নতুন ক্ষেপণাস্ত্র সহজেই কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারবে। ইসরাইল ও আমেরিকার কোনো ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এটি সনাক্ত করতে পারবে না।

এদিকে ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী আমির হাতামি বলেছেন, এ ক্ষেপণাস্ত্র সম্ভাব্য স্বল্প সময়ে প্রস্তুত করা যায় এবং অনেক নিচু দিয়ে উড়ে যায়। তিনি প্রতিরক্ষা খাতে এই ক্ষেপণাস্ত্রকে একটি বড় অর্জন হিসেবে আখ্যায়িত করেন।