মাটি খুঁড়তেই পাত্রভর্তি সোনা-রুপা

টিবিটি টিবিটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ৭:২০ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১০, ২০২১ | আপডেট: ৭:২০:অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১০, ২০২১
ছবি: সংগৃহীত

জমিতে মাটি সমান করার কাজ করছিলেন শ্রমিকেরা। হঠাৎই মাটি খুঁড়তে বেরিয়ে এলো একটি মুখবন্ধ ধাতব পাত্র। সেটি খুলতেই চক্ষু চড়কগাছ! পাত্রভর্তি সোনা-রুপার পুরোনো আমলের গয়না। ঘটনাটি ভারতের দক্ষিণাঞ্চলের তেলেঙ্গানা রাজ্যে।

ভারতীয় গণমাধ্যম সংবাদ প্রতিদিনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেখানকার জানগাঁও জেলার পেমবার্থি গ্রামে ওয়ারাঙ্গাল-হায়দরাবাদ ন্যাশনাল হাইওয়ের পাশে একটি প্লটে ভবন তৈরির জন্য জমি সমান করার কাজ চলছিল।

রসিমহা নামের জনৈক জমি ব্যবসায়ী হায়দরাবাদের বাসিন্দা। পেমভারতী গ্রামে তাঁর ১১ একর জমি রয়েছে। সেখানে বাড়িঘর বানানোর জন্যই খোঁড়াখুঁড়ি শুরু করেন তিনি। এরপরই ঘটে যায় ‘ম্যাজিক’! তিনি অবাক হয়ে দেখেন মাটির গভীরে তামার পাত্রে থরে থরে সাজানো রয়েছে গয়নাগাঁটি।

জানা গেছে, মাটির প্রায় ২ ফুট গভীরে তামার পাত্রটির মধ্যে রাখা ছিল ১৮৯,৮২০ গ্রাম সোনা ও ১,৭২৭ গ্রাম রুপো। সব মিলিয়ে ২২টি সোনার দুল, ৫১টি সোনার মালা, ১১টি সোনার মঙ্গলসূত্র, ২৬টি রুপোর লাঠি, ৫টি রুপোর হার ইত্যাদি। এরই পাশাপাশি মিলেছে কিছু পরিমাণ চুনিও।

মাটি খুঁড়ে ওই পরিমাণ ধনদৌলত আবিষ্কার করার পরই নরসিমহা যোগাযোগ করেন স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে। আপাতত সমস্তটাই জমা রাখা হয়েছে জেলার কালেক্টরের অফিসে।

জানগাঁর সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার রাজেন্দ্র প্রসাদ সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় বলেন, “ঘটনার কথা জানতে পারার পরই আমরা ঘটনাস্থল থেকে গয়নাগুলি উদ্ধার করে কালেক্টরের কাছে পাঠিয়ে দিই। পরবর্তী নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত ওই জমিতে আর কোনও খননকার্য না চালানোর জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জমির মালিককে।”

কত পুরনো উদ্ধার হওয়া গয়নাগুলি?

অনুমান, সেগুলি সম্ভবত প্রাচীন কাকতীয় রাজবংশের সমকালীন। ওই জমিতে ফের খননকার্য চালানোর সম্ভাবনা রয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে। আরও গয়নাগাটি উদ্ধার হয় কিনা সেদিকেই তাকিয়ে স্থানীয় জনতা।