মাথাপিছু জিডিপিতে ভারতকে ছাড়ানোর পথে বাংলাদেশ

টিবিটি টিবিটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ৫:৪৬ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১৪, ২০২০ | আপডেট: ৫:৪৬:অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১৪, ২০২০

২০২১ সালে মাথাপিছু মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) অল্প ব্যবধানে বাংলাদেশ ভারতকে ছাড়িয়ে যাবে বলে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

আইএমএফের ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুকের (ডব্লিউইও) তথ্য অনুযায়ী, ডলারের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের মাথাপিছু জিডিপি ২০২০ সালে এক হাজার ৮৮৮ ডলার হয়ে ৪ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করা হচ্ছে। খবর ভারতের বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।

অন্যদিকে ভারতের মাথাপিছু জিডিপি ১০ দশমিক ৫ শতাংশ কমে এক হাজার ৮৭৭ ডলার হবে বলে মনে করা হচ্ছে যা গত চার বছরে মধ্যে সর্বনিম্ন।

উভয় দেশের জিডিপির পরিসংখ্যান বর্তমানে সমান। রিপোর্ট অনুযায়ী দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে পাকিস্তান এবং নেপালের মাথাপিছু জিডিপির তুলনায় এগিয়ে থাকবে ভারত। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ, ভুটান, শ্রীলঙ্কা এবং মালদ্বীপ ভারতের চেয়ে এগিয়ে থাকবে।

ইকোনমিক টাইমস এবং বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড জানিয়েছে, করোনার এই ধাক্কায় ভারত দক্ষিণ এশিয়ায় তৃতীয় গরিব দেশ হচ্ছে। তাদের থেকে কেবল পিছিয়ে থাকছে নেপাল এবং পাকিস্তান।

বাংলাদেশের পাশাপাশি ভুটান, শ্রীলঙ্কা এবং মালদ্বীপ ভারতের চেয়ে এগিয়ে।

মাথাপিছু জিডিপি হলো কোনো দেশের জনপ্রতি আউটপুটের একটি পরিমাপ, যা মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি)-এর সঙ্গে ওই দেশের মোট জনসংখ্যা দিয়ে ভাগ করে হিসাব করা হয়।

মাথাপিছু জিডিপি অর্থনৈতিক পারফরম্যান্সের একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক। এক দেশকে অন্য দেশের সঙ্গে তুলনা করার সময় মাথাপিছু জিডিপি বিশেষত কার্যকর, কারণ এটি দেশগুলোর তুলনামূলক কর্মক্ষমতা দেখায়।

ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুকের ডেটাবেজ বলছে, দক্ষিণ এশিয়ায় নভেল করোনাভাইরাসে শ্রীলঙ্কার পর ভারতই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত।

এই ক্যালেন্ডারে ভারতের তুলনায় নেপাল এবং ভুটানের অর্থনৈতিক অগ্রগতি ভালো।

আইএমএফের পরিসংখ্যানে ২০২১ সালে আবার ভারতের অগ্রগতির পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে। ওই সময়ে বাংলাদেশের চেয়ে অল্প ব্যবধানে এগিয়ে থাকতে পারে প্রতিবেশী দেশটি।

২০২১ সালে ভারতের মাথাপিছু জিডিপি ৮.২ শতাংশ অগ্রগতি হয়ে ২ হাজার ৩০ ডলারে দাঁড়াতে পারে। বিপরীতে বাংলাদেশের অগ্রগতি হতে পারে ৫.৪ শতাংশ বা ১ হাজার ৯৯০ ডলার।

পাঁচ বছর আগেও ভারতের মাথাপিছু জিডিপি বাংলাদেশের চেয়ে প্রায় ৪০ শতাংশ বেশি ছিল।