মানিকগঞ্জে প্রাথমিকের সাত প্রধান শিক্ষক বরখাস্ত

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২:৫৩ পূর্বাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ৮, ২০১৯ | আপডেট: ১২:৫৩:পূর্বাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ৮, ২০১৯
ফাইল ছবি

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় মানিকগঞ্জের সাতটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের অনুপস্থিতির কারণে বরখাস্ত করেছে।জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ জাকির হোসেন এ তথ্য জানান।

বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি প্রতিমন্ত্রীকে সংবর্ধনা দেবার জন্য অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। এছাড়াও অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বহিষ্কার হওয়া প্রধান শিক্ষকরা হলেন- ডুবাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মহিদুর রহমান, সুতালডী রামচন্দ্রপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মোখলেছইন আহমেদ, হরিনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শুভ্র সাহা, হারুকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মনি মিয়া, পূর্ব আজিমনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের স্মৃতি চৌধুরী, এনায়েতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আরমান আলী ও সুতালডী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহমুদা ফারজানা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিনা ছুটিতে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকায় তাদের সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।

মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, এই সাত শিক্ষকের বিরুদ্ধে উপজেলা শিক্ষা অফিসারের কার্যালয় থেকে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে মন্ত্রণালয় থেকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গতকাল বুধবার দুপুর ১২টার দিকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম আল হোসেন ও ঢাকা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের উপ-পরিচালক ইন্দ্র ভূষণ দেব মানিকগঞ্জের ১৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরিদর্শনে যান। এর মধ্যে ছুটি ছাড়াই সাতটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের অনুপস্থিত পাওয়া যায়।

এরপর মানিকগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে তলব করে জরুরি ভিত্তিতে ওই প্রধান শিক্ষকদের বিস্তারিত জানতে চাওয়া হয়। পরে আজ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে ওই সাত প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকদের বহিষ্কার করে একটি নির্দেশনা জারি করা হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মানিকগঞ্জের প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জিয়া উদ্দিন বলেন, ‘বুধবার সচিব স্যার ও ঢাকা জেলা শিক্ষা অফিসের উপ পরিচালক স্যার বিদ্যালয় পরিদর্শনে আসেন।

তারা চর অঞ্চলের ১৫টি বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন। এর মধ্যে সাতটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের অনুপস্থিত পান। এরপর বৃহস্পতিবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এই সাত প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকদের বহিষ্কার করে একটি নির্দেশনা জারি করা হয়।’
Add Image