মানুষের কাজে লাগে এমন গবেষণা করুন: প্রফেসর আবদুল মান্নান

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৯:১৪ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৫, ২০১৮ | আপডেট: ৯:১৪:অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৫, ২০১৮
ছবিঃ বাংলাদেশ টুডে

এম এ মেহদীঃ

চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে আজ (১৫.১১.২০১৮) অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান প্রফেসর আবদুল মান্নান মানুষের কাজে লাগে এমন গবেষণাকর্ম করার জন্য গবেষকদের প্রতি আহ্বান জানান।

আজ সকাল ১০টায় সিভাসু অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত “বার্ষিক গবেষণা পর্যালোচনা” শীর্ষক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউজিসি’র চেয়ারম্যান এ আহান জানান। সিভাসু’র গবেষণা ও সম্প্রসারণ দপ্তর এ কর্মশালার আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিলেন সিভাসু’র উপাচার্য প্রফেসর ড. গৌতম বুদ্ধ দাশ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিভাসু’র গবেষণা ও সম্প্রসারণ দপ্তর-এর পরিচালক প্রফেসর ড. মো. কবিরুল ইসলাম খান।

কৃষকই এদেশের বড় গবেষক উল্লেখ করে প্রফেসর আবদুল মান্নান বলেন, “গবেষণা একটি চলমান প্রক্রিয়া। গবেষণা যাতে সমাজের, দেশের কাজে লাগে সেদিকে নজর দিতে হবে। কারণ ছোট্ট একটা গবেষণাও সারা বিশ্বের জন্য বিশাল একটা অর্জন হতে পারে। আমরা চাই প্রত্যেকটা বিশ্ববিদ্যালয় ভাল কাজের জন্য দেশে-বিদেশে সংবাদের শিরোনাম হোক। কারণ ভাল কাজ বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য যেমন সুনাম বয়ে আনে, তেমনি তা দেশের জন্যও সুনাম বয়ে আনে।”

তিনি আরও বলেন, আমাদের সামনে ২০২১, ২০৪১ সালের বিভিন্ন লক্ষ্যমাত্রা আছে। এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করার জন্য প্রয়োজন দক্ষ জনবল। আর দক্ষ জনবল তৈরির দায়িত্ব হল বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর। এই জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণা খাতে বরাদ্দও বাড়ানো হয়েছে। আমরা গবেষণা খাতে গুরুত্ব দিয়েছি। সাথে সাথে আরেকটি বিষয়ে জোর দিতে চাই-সেটি হচ্ছে উচ্চশিক্ষার আন্তর্জাতিকীকরণ। আমরা চাই দেশের বাইরের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সাথে আমাদের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও গবেষণা কর্ম ইত্যাদির এক্সচেঞ্জ হোক। সব জায়গায় আমাদের একটা উপস্থিতি থাকুক।

সিভাসু’র উপাচার্য বলেন, “গবেষণাকর্ম তখনই সার্থক হবে যখন এর ফলাফল জনগণের কল্যাণে আসবে। গরীব কৃষকদের উপকারে আসলেই গবেষণার স্বার্থকতা।”

কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ফিশারিজ অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ নুরুল আবছার খান, ফুড সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন প্রফেসর ডা. মো. রায়হান ফারুক এবং ভেটেরিনারি অনুষদের ডিন প্রফেসর মো: আ: হালিম।

দিনব্যাপী কর্মশালায় ৩৬টি গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপিত হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে সিভাসু’র গবেষণা ও সম্প্রসারণ দপ্তরের পরিচালক প্রফেসর ড. মো. কবিরুল ইসলাম খান বিশ্ববিদ্যালয়ের বার্ষিক গবেষণা কার্যক্রম পাওয়ার-পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে তুলে ধরেন।
এম এ মেহদীঃ চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে আজ (১৫.১১.২০১৮) অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান প্রফেসর আবদুল মান্নান মানুষের কাজে লাগে এমন গবেষণাকর্ম করার জন্য গবেষকদের প্রতি আহান জানান।

আজ সকাল ১০টায় সিভাসু অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত “বার্ষিক গবেষণা পর্যালোচনা” শীর্ষক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউজিসি’র চেয়ারম্যান এ আহান জানান। সিভাসু’র গবেষণা ও সম্প্রসারণ দপ্তর এ কর্মশালার আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিলেন সিভাসু’র উপাচার্য প্রফেসর ড. গৌতম বুদ্ধ দাশ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিভাসু’র গবেষণা ও সম্প্রসারণ দপ্তর-এর পরিচালক প্রফেসর ড. মো. কবিরুল ইসলাম খান।

কৃষকই এদেশের বড় গবেষক উল্লেখ করে প্রফেসর আবদুল মান্নান বলেন, “গবেষণা একটি চলমান প্রক্রিয়া। গবেষণা যাতে সমাজের, দেশের কাজে লাগে সেদিকে নজর দিতে হবে। কারণ ছোট্ট একটা গবেষণাও সারা বিশ্বের জন্য বিশাল একটা অর্জন হতে পারে। আমরা চাই প্রত্যেকটা বিশ্ববিদ্যালয় ভাল কাজের জন্য দেশে-বিদেশে সংবাদের শিরোনাম হোক। কারণ ভাল কাজ বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য যেমন সুনাম বয়ে আনে, তেমনি তা দেশের জন্যও সুনাম বয়ে আনে।”

তিনি আরও বলেন, আমাদের সামনে ২০২১, ২০৪১ সালের বিভিন্ন লক্ষ্যমাত্রা আছে। এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করার জন্য প্রয়োজন দক্ষ জনবল। আর দক্ষ জনবল তৈরির দায়িত্ব হল বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর। এই জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণা খাতে বরাদ্দও বাড়ানো হয়েছে। আমরা গবেষণা খাতে গুরুত্ব দিয়েছি। সাথে সাথে আরেকটি বিষয়ে জোর দিতে চাই-সেটি হচ্ছে উচ্চশিক্ষার আন্তর্জাতিকীকরণ। আমরা চাই দেশের বাইরের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সাথে আমাদের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও গবেষণা কর্ম ইত্যাদির এক্সচেঞ্জ হোক। সব জায়গায় আমাদের একটা উপস্থিতি থাকুক।

সিভাসু’র উপাচার্য বলেন, “গবেষণাকর্ম তখনই সার্থক হবে যখন এর ফলাফল জনগণের কল্যাণে আসবে। গরীব কৃষকদের উপকারে আসলেই গবেষণার স্বার্থকতা।”

কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ফিশারিজ অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ নুরুল আবছার খান, ফুড সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন প্রফেসর ডা. মো. রায়হান ফারুক এবং ভেটেরিনারি অনুষদের ডিন প্রফেসর মো: আ: হালিম।

দিনব্যাপী কর্মশালায় ৩৬টি গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপিত হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে সিভাসু’র গবেষণা ও সম্প্রসারণ দপ্তরের পরিচালক প্রফেসর ড. মো. কবিরুল ইসলাম খান বিশ্ববিদ্যালয়ের বার্ষিক গবেষণা কার্যক্রম পাওয়ার-পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে তুলে ধরেন।
Add Image