মার্চ থেকে চালু হচ্ছে ঢাকা-কলকাতা-আসাম রুটে বিলাসবহুল ক্রুজ

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১:১৫ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ২৭, ২০১৮ | আপডেট: ২:২২:পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ২৭, ২০১৮
ছবিঃ সংগৃহিত

টিবিটি সারাবিশ্বঃদুই বাংলার পানিপথে ঢাকা থেকে কলকাতা রুটে চালু হচ্ছে বিলাসবহুল পর্যটক ক্রুজ। ভারতের ‘ইনল্যান্ড ওয়াটারওয়েজ অথরিটি অফ ইন্ডিয়া’ (আইডবলিউএআই) জানিয়েছে ২০১৯ সালের মার্চ থেকেই শুরু হবে এই নৌবিহার। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়া।

রোববার কলকাতায় ভারতের অভ্যন্তরীণ নৌপথ কর্তৃপক্ষের সদস্য এসভিকে রেড্ডি এ তথ্য জানান। তিনি বলেছেন, এ ব্যাপারে গত অক্টোবরে দুই দেশের সচিব পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, আগামী মার্চ থেকে ঢাকা-কলকাতা রুটে পানিপথে একটি ক্রুজের চলাচল শুরু হবে। কলকাতা-সুন্দরবন হয়ে বাংলাদেশ পৌঁছাবে সেটি।

এসভিকে রেড্ডি জানিয়েছেন, প্রটোকল রুটের ভারতীয় অংশ হয়ে প্রতিদিনই ১৫ থেকে ২০টি বার্জ চলাচল করে। মূলত তাতে ফ্লাই-অ্যাশ থাকে যা ভারত থেকে বাংলাদেশ নিয়ে যাওয়া হয়। তিনি বলেন ক্রুজ চলাচলেও কোন অসুবিধাই হবে না।

প্রতিবেদনে বলা হয় চলতি বছরের অক্টোবরে দিল্লিতে সচিব পর্যায়ের বৈঠকে এ নিযে একমত হয় ভারত ও বাংলাদেশ।

আইডবলিউএআই-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রাতে ক্রুজ চললে, তার জন্য থাকবে বিশেষ নেভিগেশন সেবা। ভারতের সীমা পর্যন্ত সেদেশের কর্মকর্তারাই তা করবেন। দ্বিপাক্ষিক চুক্তির পরে, বাংলাদেশও রাজি হয়েছে রাতের এই সেবা দিতে।

এই পথে চলাচলের জন্য ভারত ও বাংলাদেশ অংশে ড্রেজিং করা হয়ে। ভারত-বাংলাদেশ প্রটোকল রুট অনুযায়ী ড্রেজিং খরচের ৮০ শতাংশ ভারত সরকার বহন করবে।

কলকাতা থেকে শুরু করে, ঢাকা পৌঁছতে ছ’দিন লাগবে বলে জানা গেছে। এ রুটে মাথা পিছু খরচ পড়বে ৬০ হাজার রুপি। শুধু থাকা-খাওয়াই নয়, ক্রুজে পর্যটকদের মনোরঞ্জনের জন্য থাকবে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন।
Add Image
এ ছাড়া, সুন্দরবন অঞ্চলের নানা জায়গায় থাকবে রাত্রিবাসের সুবিধা। এপার বাংলার সুন্দরবন অঞ্চল পেরিয়ে ওপার বাংলার বরিশাল, চাঁদপুর, নারায়ণগঞ্জ হয়ে ক্রুজ পৌঁছবে ঢাকায়।

এই পথে ট্যুর পরিচালনা করতে আগ্রহী ভারতীয় নৌবিহার আয়োজনকারী প্রতিষ্ঠান ‘ভিভাদা’। এটির পরিচালক আর সুশিলা জানান, তারা বাংলাদেশে এবং বাংলাদেশ হয়ে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে নৌবিহার আয়োজন করতে চান। উত্তর পূর্বাঞ্চলে যেতে ঢাকা হয়ে আরিচা রুটে ঢুকবে লঞ্চ। এরপর ধুবড়ি হয়ে আসাম প্রবেশ করতে পারে।