মিলার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

প্রকাশিত: ৬:১৭ অপরাহ্ণ, জুন ২৪, ২০১৯ | আপডেট: ৬:১৮:অপরাহ্ণ, জুন ২৪, ২০১৯

জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী মিলা তার সাবেক স্বামী পারভেজ সানজারির বিরুদ্ধে দায়ের করা নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় ফেঁসে গিয়েছেন। ২০১৭ সালে স্বামীর বিরুদ্ধে মিলার দায়ের করা মামলার চার্জ গঠন হয় ২০১৮ সালে। কিন্তু দেড় বছর ধরে মিরা স্বাক্ষ্য দিতে যাচ্ছেন না। ফলে আদালত তার বিরুদ্ধে একাধিকবার সমন জারি করে।

রবিবার (২৩ জুন) শেষ পর্যন্ত ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৯ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে মিলার বিরুদ্ধে।

এ বিষয়ে মিলা বলেন, গ্রপ্তারি পরোয়ানা জারির বিষয়ে আমিও শুনেছি। আমি আমার আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগ করছি।

তিনি আরও বলেন, সানজারি এসব কি করছে। ও এত বড় অপরাধ করে, এখন উল্টা আমাকে ফাঁসাচ্ছে। আপনারা জানেন, কিছুদিন আগে সানজারি আমার বিরুদ্ধে এসিড মামলা করেছে। আমার আইনজীবী এখন সেই মামলা নিয়ে ব্যস্ত। এসিড মামলায় এখনও পর্যন্ত আমার সম্পৃক্ততার কিছুই পাওয়া যায়নি। কিন্তু এই মামলায় আমাকে ফাঁসিয়ে রাখা হয়েছে। এর মধ্যে আবার এই ঘটনা।

মিলার প্রাক্তন স্বামী বৈমানিক পারভেজ সানজারি বলেন, আমাকে ও আমার পরিবারকে ছোট করতে মিলা মিথ্যা মামলা সাজিয়েছিল। সাজানো এই মামলার কোনো তথ্যপ্রমাণ সে আদালতে দিতে পারেনি।

আদালতে আমি হাজিরা দিয়েছি কিন্তু শুনানিতে সে নিজেই আসেনি। তাই তার নামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। শুধু তাই নয়, কেন তার বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ আনা হবে না, তাও মিলার আইনজীবীর কাছে জানতে চেয়েছে ট্রাইব্যুনাল।’

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের মে মাসে পারিবারিকভাবে বৈমানিক পারভেজ সানজারির সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন মিলা ইসলাম। বিয়ের পর গানে হয়ে পড়েন অনিয়মিত।

জড়িয়ে যান সংসার জীবনের দ্বন্দ্ব-বিবাদে। নারী নির্যাতন-যৌতুকের অভিযোগে এনে স্বামী সানজারীর বিরুদ্ধে মামলাও করেন তিনি। সবশেষে, সংসার জীবনের ইতি টানেন পপ গানের এই শিল্পী।