মিষ্টি খেয়েও যেভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখবেন ডায়াবেটিস

প্রকাশিত: ৪:৩৯ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২৮, ২০১৯ | আপডেট: ৪:৪৫:অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২৮, ২০১৯

বাড়িতে মিষ্টি না খেলেও বিভিন্ন উৎসবে বা কারো বাড়ি বেড়াতে গিয়ে মিষ্টি না খেয়ে পার পাওয়া যায় না। কিন্তু অত্যাধিক ওজন বৃদ্ধি, ব্লাডসুগার এবং শারীরিক বিভিন্ন অসুস্থতার কারণে যারা উৎসবের দিনগুলোতে মিষ্টিমুখ, পছন্দের রসনা থেকে বহু দূরে থাকেন, তাদের জন্য রয়েছে সুসংবাদ।

এবার আর মিষ্টি দেখে চোখ বন্ধ করে থাকতে হবে না। মিষ্টি খেলেও অথচ ব্লাড সুগার একদমই বাড়বে না। তার জন্যই এই বিশেষ প্রতিবেদন।

চটজলদি কিছু নিয়ম মেনে চললে ব্লাডসুগার আপনার কপালে ভাঁজ ফেলতে পারবে না। শুধু টিপস মেনে চললেই হবে না। সঙ্গে থাকতে হবে নিয়ম মেনে পরিমিত খাবার খাওয়া এবং সঙ্গে চলবে নিয়মিত ব্যায়াম। তাহলে সুগার থাকবে নিয়ন্ত্রণে।

আসুন জেনে নিই যেসব নিয়ম মেনে ডায়াবেটিস রোগীরা মিষ্টি খেতে পারবেন?

১. ডায়াবেটিস রোগীদের সব থেকে বড় শত্রু হলো দুধ। মিষ্টি তৈরির জন্য প্রয়োজন হয় দুধের। তাই দুধ ছাড়া যদি অন্য কিছু দিয়ে মিষ্টি তৈরি করা যায়, তবে তা ডায়েটের প্রথম ধাপেই আমরা ব্লাড সুগার অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করতে পারব।

২: দুধ ছাড়াও আরও অনেক উপাদান আছে, যা দিয়ে বাড়িতে বসে মিষ্টি বানানো যায়। দুধের বিকল্প হিসাবে আপনি বেছে নিতে পারেন, প্রাকৃতিক মধু, নারিকেলের মাখন, গুড়, নারিকেলের চিনি প্রভৃতি।

৩. দুধের বিকল্প হিসাবে মিষ্টি তৈরিতে অ্যালমণ্ড, সয়াদুধ বা নারিকেলের দুধ অথবা বাদাম দুধও ব্যবহার করে দেখতে পারেন।

৪. এসব খাওয়ার আগে আপনাকে সুগারের লেভেল চেক করে নিতে হবে। কারণ না হলে আপনি বুঝতে পারবেন না যে খাবারগুলো আপনি রোজ গ্রহণ করছেন, সেগুলো আপনার শরীরের ব্লাড সুগারে কতটা প্রভাব ফেলছে।

এ নিয়মগুলো মেনে চললে উৎসবের দিনে পরিবার-পরিজনের সঙ্গে হয়ে উঠুন আরও চনমনে প্রাণবন্ত।