মেহেদির রঙ দ্রুত ওঠাবেন যেভাবে

প্রকাশিত: ১:২৬ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২০, ২০২০ | আপডেট: ১:২৬:অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২০, ২০২০

মেহেদি রাঙা হাতের সৌন্দর্য ফিকে হতে শুরু করে যখন মেহেদির রঙ ধীরে ধীরে হালকা হতে থাকে। রঙ পুরোপুরি না উঠলে বেশ দৃষ্টিকটু লাগে হাত দুটো। জেনে নিন ফিকে হয়ে যাওয়া মেহেদির রঙ দ্রুত ওঠানোর কিছু উপায় সম্পর্কে।

লেবু:

এর ব্লিচিং উপাদান মেহেদির রং হালকা করতে অত্যন্ত কার্যকর। একটি লেবু দুই টুকরা করে মেহেদি দেওয়া হাত বা পায়ে সরাসরি রস প্রয়োগ করতে হবে। এবার ওই লেবুর খোসা দিয়েই কয়েক মিনিট হাত-পায়ে লেবুর রসসহ হালকা ভাবে ঘষে নিতে হবে। তারপর কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। অথবা, আধ গামলা পানিতে ৫ থেকে ৬ টেবিল-চামচ লেবুর রস মিশিয়ে তাতে হাত-পা ডুবিয়ে রাখতে পারেন। দিনে দুবার পদ্ধতিটি অনুসরণ করতে হবে।

টুথপেস্ট:

দাঁত ঝকঝকে করার পাশাপাশি লিপস্টিকের কিংবা পারমানেন্ট মার্কারের দাগ ওঠাতেও কাজে লাগে টুথপেস্ট। এতে থাকা ঘষে তুলে ফেলতে পারে এরকম উপাদানসহ ও অন্যান্য উপকরণ মেহেদির দাগ ওঠাতে বেশ কার্যকর।

যে স্থানের মেহেদির রং ওঠাতে চান সেখানে পাতলা টুথপেস্টের আস্তরণ তৈরি করে শুকানো পর্যন্ত অপো করতে হবে। পরে আলতোভাবে শুকনো টুথপেস্ট তুলে ভেজা কাপড় দিয়ে মুছে নিন। তারপর ময়েশ্চারাইজিং লোশন মাখুন। দ্রুত ফলাফল পেতে একদিন পর পর টুথপেস্ট ব্যবহার করতে হবে।

বেইকিং সোডা:

আরেকটি প্রাকৃতিক ব্লিচিং উপকরণ। এটা মেহেদির রং ওঠাতে পারে দ্রুত। সমপরিমাণ বেইকিং সোডা ও লেবুর রস মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করুন। পাঁচ মিনিট পেস্টটি মেহেদির রাঙানো অঙ্গে মাখিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। তবে এই পদ্ধতি অনুসরণ করলে হাত-পায়ের ত্বক শুষ্ক হয়ে যেতে পারে।

হাত ধোয়া:

অ্যান্টি-ব্যাক্টেরিয়াল সাবান মেহেদির রং হালকা করে। আর ঘনঘন এই সাবান মেহেদি লাগানো হাত-পায়ে ব্যবহার করলে রং উঠে যাবে দ্রুত। দিনে আট থেকে ১০বার এই সাবান দিয়ে হাত ধুতে পারেন। তবে অতিরিক্ত সাবান ত্বক শুষ্ক করে ফেলতে পারে। তাই হাত-পা সাবান দিয়ে ধোয়ার পর লোশন মাখতে ভুলবেন না যেনো।

লবণ পানি:

কার্যকর পরিষ্কারক উপাদান হিসেবে লবণের খ্যাতি আছে। বাথটাবের অর্ধেকটায় পানি ভরে তাতে এক কাপ লবণ মিশিয়ে ২০ মিনিট হাত-পা ডুবিয়ে রাখতে পারেন। ভালো ফলাফল পেতে একদিন পরপর লবণ পানি ব্যবহার করতে হবে। মনে রাখতে হবে, বেশিণ লবণ পানিতে হাত-পা ডুবিয়ে রাখলে ত্বক শুষ্ক হতে পারে, তাই ময়েশ্চরাইজার ব্যবহার করতে হবে প্রতিবার।