মেহেদীর আট ফুট লম্বা ‘কালো ষাঁড়ের’ দাম ১৫ লাখ!

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৩:১৩ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১৭, ২০১৮ | আপডেট: ৩:১৩:অপরাহ্ণ, আগস্ট ১৭, ২০১৮

টিবিটি মেট্রো: আট ফুট লম্বা কালো রঙের দেশীয় ষাঁড়টি ওজনে প্রায় ৩৮ মণ। বয়স সাড়ে পাঁচ বছর। কোনো প্রকার ক্ষতিকর ওষুধ ছাড়াই শুধু দেশীয় খাবার খাইয়ে এ ষাঁড় লালন পালন করেছেন টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার হাবলা উত্তরপাড়ার মেহেদী হাসান।

দাম যাই হোক ক্রেতারা নিয়মিত ষাঁড়টি দেখতে ও দাম দর করতে মেহেদীর বাড়ি আসছেন। রঙ, ওজন আর দেশীয় খাবারে পালন। সব মিলিয়ে এবার নজর কেড়েছে মেহেদীর বিশাল আকৃতির দেশীয় ষাঁড়টি।

গত কোরবানীর ঈদে ষাঁড়টি ঢাকার একটি গরু হাঁটে উঠিয়ে আশানুরুপ দাম না পেয়ে হাটের প্রতি অনিহা মেহেদীর। এবার জেদ ধরেছেন বাড়ি থেকেই বিক্রি করবেন তার প্রিয় এ ষাঁড়টি।

পনেরো লাখ টাকা ষাঁড়টির দাম চাইলেও শেষ পর্যন্ত বিক্রি করতে পারবেন কিনা তা নিয়ে সংশয়ে আছেন তিনি।

মেহেদীর দাবি, তার ষাঁড়টিই জেলায় সবচেয়ে বড় কোরবানীর গরু। মেহেদী হাসান গৃহস্থলী কাজ করেন। শখের বশে একটি দুগ্ধ গাভী পালন করেন তিনি। দেশীয় ওই গাভী থেকে প্রায় সাড়ে ৫ বছর আগে এই ষাঁড়টির জন্ম হয়। এরপর থেকে কোনো প্রকার ক্ষতিকর ওষুধ ছাড়াই দেশীয় খাবার, ঘাস, খর, ভুষি আর ভাত খাইয়ে লালন পালন করেছেন ষাঁড়টি। বর্তমানে প্রতিদিন ১৬ কেজি খাবার দিতে হচ্ছে ষাঁড়টিকে।

গত কোরবানিতে এই গরুটির ওজন ছিল ২৫ মণ। ঢাকার একটি হাঁটে উঠিয়ে আশানুরুপ দাম না পেয়ে ফেরত আনেন ষাড়টি। আবার এক বছর গৃহে লালন পালন করেন ষাঁড়টি। গত বছর ষাঁড়টি ৭ লাখ টাকা দাম হলেও মেহেদীর আশা আরো বেশি দামে বিক্রি করতে পারবেন।

গরুর মালিক মেহেদী হাসান বলেন, এবার গরুটির ওজন হয়েছে প্রায় ৩৮মণ। প্রায় প্রতিদিনই ক্রেতারা আসছেন। অনেকে ৮-৯ লাখ টাকা পর্যন্ত দাম হাকছেন। আমি ১৫ লাখ টাকা চেয়েছি। ষাঁড়টিকে প্রতিদিন ১৬ কেজি খাবার দিতে হচ্ছে। ষাঁড়টির বয়স সাড়ে পাঁচ বছর হলেও গত তিন বছর ধরে রাতে ঘুমাতে পারেননি মেহেদী। কখন কী প্রয়োজন হয় এই ভেবে রাত জেগে থাকতে হচ্ছে তাকে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, দেশীয় খাবার খাইয়ে গরুটিকে লালন-পালন করা হয়েছে। উপজেলায় এই ষাঁড়টিই সব থেকে বড়। ষাঁড়টিকে নিয়মিত দেখাশোনা করা হচ্ছে বলেও তিনি জানান।