মেয়েকে কোরআনের হাফেজ বানাবেন জুনায়েদ সিদ্দিকী

টিবিটি টিবিটি

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: ৯:০৯ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১৭, ২০১৯ | আপডেট: ৯:০৯:অপরাহ্ণ, আগস্ট ১৭, ২০১৯
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ক্রিকেটে এক আক্ষেপের নাম জুনায়েদ সিদ্দিকী! তবে এই ক্রিকেটার এখন নিজে আর আক্ষেপ না করলেও রয়েছে চাপা দীর্ঘ শ্বাস। এখনও জাতীয় দলের খেলা ছাড়েন নি তিনি। কিন্তু মাঝে মাঝেই গণমাধ্যমে নিজের নামের পাশে জাতীয় দলের ‘সাবেক ক্রিকেটার’ কথাটি দেখলে কষ্ট পান।

এক সময়ে জাতীয় দলের ওপেনিং পজিশনে দুর্দান্ত ব্যাটিং করতেন জুনায়েদ সিদ্দিকী। কিন্তু পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতার অভাবে সময়ের ব্যবধানেই হারিয়ে যান। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে আনুষ্ঠানিক বিদায়ের ঘোষণার আগেই ‘সাবেক’ হয়ে গেছেন তিনি।

জাতীয় দলের ‘সাবেক’ এ তারকা ক্রিকেটার নিজের মেয়েকে হাফেজা হিসেবে গড়ে তুলতে চান।

শনিবার রাতে যুগান্তরের সঙ্গে একান্ত আলাপে জুনায়েদ সিদ্দিকী বলেন, স্ত্রী আর মেয়েকে নিয়ে এবার উমরাহ করে এসেছি। আমার খুব ইচ্ছা আছে মেয়ে সুবহানা সিদ্দিকা জুনায়রাকে হাফেজা হিসেবে গড়ে তোলার। ওর এখন এক বছর ৮ মাস বয়স চলে, আশা করছি বড় হলে হাফেজা হিসেবে গড়ে তুলতে পারব।

একটা সময়ে স্মার্ট এবং ফ্যাশনেবল জীবনযাপন করা জুনায়েদ এখন ধর্মীয় বিধি-বিধান মেনে চলছেন। এ ব্যাপারে তিনি বলেন, আগে ক্যাজুয়েল জিন্স-টিশার্ট সবকিছুই পরতাম। এখন বেশিরভাগ সময় পাঞ্জাবি-পাজামাই পরি। খেলার সময় ট্রাউজার-ট্র্যাকস্যুট পরি। এখন পোশাকের প্রতি আগের আকর্ষণটা নেই।

জুনায়েদ জাতীয় দলে সর্বশেষ খেলেছেন ২০১২ সালে। ২০১২’র পর তার আর জাতীয় দলের কোনো ফরমেটে খেলা হয়নি এ ক্রিকেটারের। ১৯টি টেস্ট, ৫৪টি ওয়ানডে ও ৭ টি-টোয়েন্টি খেলা জুনায়েদ সিদ্দিকী আক্ষেপ নিয়ে এখন ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলে যাচ্ছেন। বর্তমানে তার বয়স ৩০ বছর ছাড়িয়ে গেছে, তবুও জাতীয় দলে ফেরার স্বপ্ন দেখেন তিনি।

তবে এই ক্রিকেটার যে ব্যাক্তি জীবনে আগাগোড়া পাল্টে গেছেন। ক্যারিয়ার নিয়ে তো বটেই, জীবন নেয়েও এখন বেশ আন্তরিক জুনায়েদ। বেছে নিয়েছেন ইসলামিক জীবন, তাতেই খুঁজে পেয়েছেন স্বস্তি। স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে সুখেই কাটছে দিন। নিয়মিত পারফর্ম করলে ফের জাতীয় দলে ফেরা সম্ভব বিশ্বাস করেন এই বিষয়টিও।

জুনায়েদ সিদ্দিকী বলেন, আগে ক্যাজুয়াল জিন্স-টিশার্ট পরতাম। এখন বেশিরভাগ সমই পাঞ্জাবী-পাজামাই পরি। এখন পোশাকের প্রতি আগের আকর্ষণটা নেই। গোছানো জীবনে মেয়েই এখন জুনায়েদের স্বপ্ন, জুনায়েদের বেঁচে থাকার মূল প্রেরণা।

তিনি বলেন, মেয়েকে কোরআনের হাফেজ বানাতে চায়, স্ত্রী আর মেয়েকে নিয়ে এবার উমরাহ করে এসেছি। খুব ইচ্ছা আছে মেয়েকে কোরআনের হাফেজ করার।