মোবাইলে কথা বলার খরচ বাড়ছে আগামী বাজেটে!

প্রকাশিত: ৪:০৬ অপরাহ্ণ, জুন ৩, ২০২০ | আপডেট: ৪:০৬:অপরাহ্ণ, জুন ৩, ২০২০

২০২০–২১ অর্থবছরের বাজেটে মোবাইলে কথা বলার ওপর সম্পূরক শুল্ক পাঁচ শতাংশ বাড়ানো হতে পারে। বর্তমানে মোবাইলে কথা বলায় ১০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক রয়েছে। পাঁচ শতাংশ বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করার প্রস্তাব আসতে পারে আসন্ন বাজেটে।

মঙ্গলবার (০২ জুন) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

আগামী ১১ জুন ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণার কথা রয়েছে। যদি সম্পূরক শুল্ক বাড়ানো হয়, তবে তা ঘোষণার দিন থেকেই কার্যকর হবে। সংশ্লি­ষ্টরা জানান, করোনা ভাইরাসের কারণে যেসব খাতে ক্ষতি কম হয়েছে ঐসব খাত থেকে সরকার বাজেটে রাজস্ব বাড়ানোর পরিকল্পনা নিচ্ছে। টেলিকম খাতসহ বেশকিছু খাতে করোনায় খুব বেশি প্রভাব পড়েনি বলেই মনে করছেন তারা। ফলে সম্পূরক শুল্ক-কর কিছুটা বাড়ানোর চিন্তা করছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আসছে বাজেটে মোবাইল কল রেটে বিদ্যমান সম্পূরক শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করা হতে পারে। অর্থাত্ নতুন করে ৫ শতাংশ শুল্ক বৃদ্ধি পেতে পারে। এছাড়াও বর্তমানে মোবাইল ব্যবহারকারীদের জন্য টকটাইম এবং এসএমএসে ১৫ শতাংশ ভ্যাট ও এক শতাংশ সারচার্জ রয়েছে। আর মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারের ভ্যাট প্রযোজ্য আছে ৫ শতাংশ। অর্থাৎ সম্পূরক শুল্ক বাড়লে গ্রাহকদের মোবাইল ফোনে কথা বলা, এসএমএস পাঠানো ও ইন্টারনেট ব্যবহারের খরচও বেড়ে যাবে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকার করোনা ভাইরাসের কারণে সাধারণ ছুটি ঘোষণার পর মোবাইল ফোন এবং ইন্টারনেটের ব্যবহার উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। সেই হিসাবে এই সেক্টর থেকে আয় বাড়তে পারে।

যদিও মোবাইল অপারেটররা বলছেন, ছুটির মধ্যে তাদের আয় কমে গেছে। ইন্টারনেট ব্যবহার বাড়লেও ভয়েস কল উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। ফলে তাদের আয়ে বড়ো ধরনের প্রভাব পড়েছে। মোবাইল অপারেটর রবির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সাধারণ ছুটি ঘোষণার পর প্রতিদিন তাদের ৪ কোটি টাকা করে ক্ষতি হচ্ছে। সে হিসেবে সাধারণ ছুটির ৬৬ দিনে তাদের ২৫০ কোটি টাকার বেশি লস হয়েছে। অন্যদের অবস্থাও একই।