মোবাইল ফোনের কারণে বাড়ছে যেসব রোগ

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১:৫১ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২৩, ২০১৮ | আপডেট: ১১:৫১:অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২৩, ২০১৮
ছবিঃ সংগৃহিত

বর্তমান প্রযুক্তির যুগে মোবাইল ফোন ছাড়া একমুহূর্তের জন্য ভাবাই যায় না। মোবাইল নাম এই যন্ত্রটি সারাক্ষণ আমাদের সঙ্গী হয়ে রয়েছে।
হোক কাজের ক্ষেত্রে অথবা বিনোদনের ক্ষেত্রে। আমরা সারাক্ষণই এই যন্ত্রটিকে ব্যবহার করে চলেছি।

প্রযুক্তি নির্ভর এই যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এটিকে আমাদের ব্যবহার করতেই হয়। যা কিনা আমাদের জন্য অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। এছাড়া কোনো উপায় নেই। কিন্তু এই মোবাইল ফোন ব্যবহারের কারণে বাড়ছে বেশ কিছু অসুখ। নিম্নে সেগুলো আলোকপাত করা হলো-

মোবাইল ফোনে যে তেজস্ক্রিয় পদার্থ থাকে বা তা থেকে যে বিকিরণ আসে, তা শরীরের জন্যে কতটা ক্ষতিকর? ফোনের লেডের কারণে কি টিউমার হতে পারে? এসব থেকে বাঁচার কি কোনো উপায় আছে? গত কয়েক বছর ধরেই এসব প্রশ্নের উত্তর পেতে চেষ্টা করছেন বিজ্ঞানীরা।

যদিও এখনো সব প্রশ্নের পুরোপুরি উত্তর পাওয়া যায়নি। তবে আমেরিকান ক্যান্সার সোসাইটির ওয়েবসাইটে বলা হচ্ছে, মোবাইল ফোন হয়তো ব্রেন টিউমার বা মাথা ও গলার টিউমারের ঝুঁকি অনেকটা বাড়িয়ে দিতে পারে।

ক্যালিফোর্নিয়ার বার্কলি শহর একটি রুল জারি করেছে যেখানে প্রতিটি মোবাইল সেন্টারের দেয়ালে দেয়ালে ঝুলিয়ে রাখতে হবে, মোবাইল ব্যবহারের এই স্বাভাবিক মাত্রার উল্লেখ। কারণ বেশিরভাগ ফোনেই আপনি এটা খুব সহজে খুঁজে পাবেন না।

মার্কিন এবং কানাডিয়ান ক্যান্সার বিজ্ঞানিরা ইদানিং অনেক ক্যান্সারের রোগীকেই পাচ্ছেন, যাদের মাত্রাতিরিক্ত ফোন ব্যবহারের অভ্যাসের সঙ্গে ক্যান্সারকে মেলানোর যথেষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়। যেমন, ২১ বছর বয়সী স্তন ক্যান্সারের একজন রোগী। নিজের ফোনটা সে সাধারণত অন্তর্বাসের ভেতরে রাখতো।

দেখা গেল, তার স্রেফ একটি স্তনে ক্যান্সার হয়েছে এবং ৩/৪ টি আলাদা আলাদা এমন আকৃতির টিউমার জন্মেছে যা তার বয়সী কোনো নারীর হওয়ার কথা নয়। এবং তার স্তনের ঠিক সে জায়গাগুলোতেই এই টিউমারের বিস্তৃতি হয়েছে যেখানে সে ফোনটা রাখতো। গবেষকরা বলেন, আপনার দেহের যে অংশগুলো মোবাইল ফোনের বেশি কাছাকাছি থাকে, সে অংশগুলোর ঝুকিও বেশি।

যেমন, পুরুষরা বেশিরভাগ সময়ই মোবাইল রাখে তাদের প্যান্টের সামনের বা পেছনের পকেটে। ১০ বছর ধরে পরিচালিত হয়েছে এমন একটি পরীক্ষা থেকে দেখা গেছে, এতে করে পুরুষদের শুক্রাণুর পরিমাণ যেমন কমেছে, তেমনি কমেছে এর উর্বরাশক্তি।