যবিপ্রবিতে দৈনন্দিন জীবনে গণিতের প্রয়োগ বিষয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত

শহিদ জয় শহিদ জয়

যশোর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৬:০২ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ৯, ২০১৯ | আপডেট: ৬:০২:অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ৯, ২০১৯
ছবি: টিবিটি

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) ‘নিউমেরিক্যাল সিমুলেশন অ্যান্ড ইটস অ্যাপলিকেশন টু আওয়ার ডেইলি লাইফ’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেমিনারে গাণিতিক বিশ্লেষণ প্রয়োগের মাধ্যমে দৈনন্দিন জীবনের সমস্যা সমাধানের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।

আজ সোমবার যবিপ্রবির বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব একাডেমিক ভবনের ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে ‘রিসার্চ সেল’ এ সেমিনারের আয়োজন করে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, ‘বিশ্বের সবকিছুর মূলে রয়েছে এনার্জি বা শক্তি। আর এ শক্তিসমূহ আবর্তিত হয় গাণিতিক সূত্র দ্বারা। আইনস্টাইনের থিওরি থেকে শুরু করে জীববিজ্ঞানের থিওরি সব জায়গায় গণিতের প্রয়োগ রয়েছে।’

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি সিডনির জ্যেষ্ঠ প্রভাষক ড. সুভাষ চন্দ্র সাহা। তিনি তাঁর প্রবন্ধে দেখান মানুষ স্বাভাবিক অবস্থা, হাঁটা এবং দৌঁড়ানোর সময় ভিন্ন ভিন্ন হারে বাতাস গ্রহণ করে। মানুষ বাড়িতে, রাস্তায় ও অফিসে অবস্থানের সময় ভিন্ন ভিন্ন হারে দূষিত বাতাস গ্রহণ করে। মানবদেহের ফুসফুসে এ বায়ু চলাচলের প্রভাব কেমন, দূষিত বায়ুর ফলে মানবদেহের কেমন ক্ষতি হয়। মানবদেহ প্রাকৃতিক উপায়ে কিভাবে দূষিত বায়ু উদগীরণ করে ইত্যাদি বিষয় গাণিতিক মডেলের মাধ্যমে তিনি বিশ্লেষণ করেন। সেমিনারে তিনি মানবদেহে বায়ু চলাচল এবং ফুসফুসের সম্পর্কের উপর গাণিতিক বিশ্লেষণ নিয়ে তাঁর প্রকাশিত বিভিন্ন গবেষণাপত্র ও ফলাফল তুলে ধরেন। একইসঙ্গে এ ক্ষেত্রে বিশে^র খ্যাতিমান গবেষকদের বিভিন্ন গাণিতিক গবেষণা কমর্কা- বিশ্লেষণ করেন।

সেমিনারে আরও বক্তব্য দেন যবিপ্রবির ডিনস কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মোঃ আনিছুর রহমান, ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া ইনস্টিটিউট অব এ্যাডভান্স স্টাডিজের পরিচালক অধ্যাপক ড. সাইবুর রহমান মোল্যা, স্বাগত বক্তব্য দেন রিসার্চ সেলের উপদেষ্টা ড. মঞ্জুরুল হক। এ ছাড়া সেমিনারে গণিত বিভাগের চেয়ারম্যান মোঃ হাফিজ উদ্দিন, সহকারী অধ্যাপক ড. ফরহাদ বুলবুল, সমীরণ মন্ডল, প্রভাষক নয়ন ঢালী, শারমিন বানু, আসিফ আরেফিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। সেমিনার পরিচালনা করেন গণিত বিভাগের প্রভাষক দীপা রায়।