যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্তের প্রতি আমরা শ্রদ্ধাশীল : আফগান প্রেসিডেন্ট

টিবিটি টিবিটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ৪:৩৩ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১৫, ২০২১ | আপডেট: ৪:৩৩:অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১৫, ২০২১

আগামী ১১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আফগানিস্তান থেকে সব সেনা প্রত্যাহার করে নেবে যুক্তরাষ্ট্র।

আজ বুধবার মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বিবিসি জানিয়েছে, আগামী ১১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করে নেওয়ার ঘোষণা দিতে যাচ্ছেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

সেনা প্রত্যাহারের মার্কিন সিদ্ধান্তের প্রতি কাবুল শ্রদ্ধাশীল বলে মন্তব্য করেছেন আফগান প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ আশরাফ ঘানি। বুধবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে এক ফোনালাপের পর এমন মন্তব্য করেন তিনি।

আশরাফ ঘানি বলেন, চলমান শান্তি উদ্যোগ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটো অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করবে কাবুল। সেনা প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া সহজ করতেও আফগান সরকার তার আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করে যাবে।

টুইটারে দেওয়া পোস্টে আশরাফ ঘানি বলেন, আফগানিস্তানের গর্বিত নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা বাহিনী তার জনগণ ও দেশকে রক্ষা করতে পুরোপুরিভাবে সক্ষম। এটি তারা সর্বাত্মকভাবে করে আসছে এবং এজন্য আফগান জাতি চিরকাল কৃতজ্ঞ থাকবে।

২০০১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা এবং প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগনে সন্ত্রাসী হামলা চালানো হয়। এই হামলার জন্য তালেবানদের দায়ী করে আফগানিস্তানে সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র। ওই হামলার ২০তম বার্ষিকীর মধ্যেই আগেই আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করে নিতে চান বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। এই পরিকল্পনা সম্পর্কে অবগত তিনটি সূত্র এই তথ্য জানিয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আগামী ১১ সেপ্টেম্বরের আগেই সব সেনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ জো বাইডেন।

ওই কর্মকর্তা জানান, সেনা প্রত্যাহারের এই ঘটনা কোনও শর্তসাপেক্ষ বিষয় নয়। প্রেসিডেন্ট এই শর্তসাপেক্ষ প্রত্যাহারের বিষয়টি বিবেচনা করেছেন; যেটি গত দুই দশক ধরেই বিবেচনা করা হচ্ছিল। বাস্তবে এসব শর্ত আফগানিস্তানে চিরদিনের জন্য অবস্থানের একটি রাস্তা তৈরি করা ছাড়া আর কিছুই নয়।

উল্লেখ্য, আফগানিস্তানে বর্তমানে প্রায় আড়াই হাজার মার্কিন সেনা রয়েছে। এছাড়া গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ’র হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে সহায়তার জন্য মার্কিন বিশেষ বাহিনীর হয়ে কাজ করা কয়েকশ’ সদস্যও দেশটিতে রয়েছে। এদের বিষয়ে কি সিদ্ধান্ত হবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। এসব সেনাদের উপস্থিতি প্রকাশ্যে স্বীকার করা হয় না। আর তারা সরকারি হিসেবে থাকা আড়াই হাজার সেনার অন্তর্ভুক্তও নয়।সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি।