জয়ের পর পায়ে হেঁটেই অফিসে ঢুকলেন মমতা

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৬:৩০ অপরাহ্ণ, মে ২, ২০২১ | আপডেট: ৬:৩১:অপরাহ্ণ, মে ২, ২০২১

টানা তৃতীয়বারের মতো ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল। বিধানসভা নির্বাচনের বেসরকারি ফলাফলে জয় পেয়েছে দলটি। হাড্ডাহাড্ডির লড়াইয়ের পর সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে পশ্চিমবঙ্গে আবারও ক্ষমতায় মমতা বন্দোপাধ্যায়ের তৃণমূল।

এদিকে, এই বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম আসনে বিজেপির শুভেন্দুকে ১ হাজার ২০০ ভোটে হারিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের মমতা বন্দোপাধ্যায়।

রাজ্যের ফল নিশ্চিত হতেই কালীঘাটের নিজের বাড়ি থেকে বেরিয়ে পায়ে হেঁটে অফিসে ঢুকছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়- খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।

যদিও পায়ে চোটের০ কারণে নির্বাচনী প্রচারসহ সভাসমাবেশে ভোটের আগ পর্যন্ত তাকে হুইলচেয়ারে করে চলতে দেখা গেছে।

ছাত্র রাজনীতির মধ্য দিয়েই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক জীবন শুরু হয়। ৬৬ বছর বয়সী মমতার রাজনৈতিক জীবনে ছিল নানা উত্থান পতন। তার নেতৃত্বেই পশ্চিমবঙ্গ থেকে ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটে।

১৯৫৫ সালের ৫ই জানুয়ারি কলকাতার হাজরা অঞ্চলের এক নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। বাবা প্রমীলেশ্বর বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন স্বাধীনতা সংগ্রামী।

কলকাতার শ্রীশিক্ষায়তন কলেজ থেকে বি.এ ডিগ্রি সম্পন্ন করার পর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম.এ ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি। পরে কলকাতার যোগেশচন্দ্র চৌধুরী আইন কলেজ থেকে এলএলবি ডিগ্রিও নেন। ১৯৭০এর দশকে কংগ্রেস আই দলের মধ্য দিয়ে মমতার রাজনৈতিক জীবনের সূচনা হয়। ১৯৭৬ থেকে ৮০ সাল পর্যন্ত তিনি পশ্চিমবঙ্গ মহিলা কংগ্রেস আইয়ের সাধারন সম্পাদক ছিলেন।

১৯৮৪ সালে লোকসভা নির্বাচনে মাত্র ২৯ বছর বয়সে পশ্চিমবঙ্গের যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে বর্ষীয়ান কমিউনিস্ট নেতা সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়কে পরাজিত করে সেসময়ের সর্বকনিষ্ঠ সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে দক্ষিণ কলকাতা লোকসভা কেন্দ্র থেকে ৭ বার জয়লাভ করেন।

রাজনৈতিক জীবনে কেন্দ্রীয় ক্যাবিনেটের দুবার রেলমন্ত্রী, একবার কয়লা মন্ত্রণালয় এবং একবার মানব সম্পদ উন্নয়ন এবং ক্রিড়া ও যুবকল্যান এবং মহিলা ও শিশু বিকাশ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব সামলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ১৯৯৭ সালে মমতা কংগ্রেসের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে সর্বভারতীয় তৃণমুল কংগ্রেস গড়ে তোলেন। ২০১১ সালে মমতার নেতৃত্বে তৃণমুল কংগ্রেস পশ্চিমবঙ্গের ৩৪ বছরের বামফ্রন্ট সরকারকে পরাজিত করে রাজ্যের প্রথম নারী মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হন।