রাণীশংকৈলে প্রাইম কোর্ট ছাড়াই চলছে রাস্তা পাকার কাজ

প্রকাশিত: ৪:২১ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৯, ২০২০ | আপডেট: ৪:২১:অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৯, ২০২০
ছবি: টিবিটি

মো. বিপ্লব, রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় এলজিইডির মাধ্যমে মীরডাঙ্গী হইতে বনগাঁও পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার রাস্তা পাকা করণ কাজের ব্যাপক অনিয়ম পাওয়া গেছে।

প্রাইম কোট ছাড়াই করছে কার্পেটিং- ডেঞ্চ কার্পেটিংয়ের উপরে রোলার না দিয়ে দেওয়া হচ্ছে বালি। স্থানীয় লোকজন কাজের অনিয়মে একাধিক বার বাঁধা দিলেও ক্ষমতাধর ঠিকাদার এবং প্রকৌশলীর দাপটে আ’লীগ নেতা মোশারফ হোসেন বুলু ও স্থানীয় ঠিকাদার আনিসুর রহমান বাকি আপোষ মিমাংসা করে।

সরকারি ছুটির দিন শুক্রবার দায়িত্বপ্রাপ্ত তদারকি কর্মকর্তা (উপ-সহকারি প্রকৌশলী মাসুদুল আলম) ছাড়াই কার্পেটিংয়ের কাজ করেছে সংশ্লিষ্ঠ্য ঠিকাদার। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, প্রাইমকোট ছাড়াই করছে কার্পেটিং -ডেঞ্চ কার্পেটিং এর উপরে রোলার না দিয়ে দিচ্ছে বালু। বাংলাদেশী বিটুমিন না দিয়ে ইরানী বিটুমিন দিয়ে কাজ করেছে। খোঁজ নিয়ে জানাযায়, ঠাকুরগাঁও এলাকার সাদেকুল ইসলাম জুয়েল ঠিকাদার মীরডাঙ্গী হইতে বনগাঁও পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার রাস্তা ৮০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে পাকা করণের কাজটি পায়। সে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটি আবার সিদ্দিক মিস্ত্রির কাছে চুক্তিভিক্তিক বিক্রি করে কাজটি করছে।

সংশ্লিষ্ঠ ঠিকাদার সাদেকুল ইসলাম জুয়েল বলেন, রাণীশংকৈল উপজেলায় আমার ৫টি রাস্তায় কাজ চলছে, কাজ করতে গেলে কাজের অনিয়ম তো টুকিটাকি হবেই। তাছাড়া রাণীশংকৈল উপজেলা প্রকৌশলী তারেক বিন ইসলাম তো একটা পাগল কখন কি বলে ঠিক নাই।

এ প্রসঙ্গে সিদ্দিক কে কাজের গুনগত মান প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, রাস্তার কাজে প্রাইমকোট দেওয়ার ২৪ ঘন্টার মধ্যে কার্পেটিং করার নিয়ম থাকলেও উপজেলা প্রকৌশলী কারণে ১২ দিন পর কার্পেটিং করায় প্রাইমকোটগুলি উঠে গেছে। রাস্তায় রোলার মেশিন না দিয়ে বালু দেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, রোলার টি নষ্ঠ হওয়ার কারণে কার্পেটিংটি যেন উঠে না যায় সে কারণে বালু দেওয়া হয়েছে। তাছাড়া ভাই সংবাদ না করলে হয়না আমি আপনার সাথে দেখা করতেছি।

এব্যপারে উপজেলা প্রকৌশলী তারেক বিন ইসলাম জানান, সে রাস্তার কোন ইস্টিমেট আমার কাছে নেই তবে সে রাস্তায় প্রাইমকোট দেওয়া হয়েছে। আর বালু দেওয়ার বিষয়টি আমি শুনেছি। অনিয়মের বিষয়ে ঠাকুরগাঁও নির্বাহি প্রকৌশলী কান্তেশ্বর বর্ম্মনের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, আমাকে সে রাস্তার অনিয়মের ছবি তুলে পাঠান তারপর ব্যাবস্থা নিচ্ছি। দায়িত্বপ্রাপ্ত তদারকি কর্মকর্তা রাস্থায় না থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তাছাড়া রাস্তার কাজে সুপারভিশন করে ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।