রাশিয়াকে নতুন ক্ষেপণাস্ত্র ক্রুজ মিসাইল ধ্বংসের ডেডলাইন ন্যাটোর

প্রকাশিত: ৮:৩০ অপরাহ্ণ, জুন ২৫, ২০১৯ | আপডেট: ৮:৩০:অপরাহ্ণ, জুন ২৫, ২০১৯

রাশিয়ার তৈরিকৃত নতুন ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করার জন্য ডেডলাইন দিয়েছে ন্যাটো। আগামী আগস্টের আগেই রাশিয়ার এ ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করে ইউরোপের বাইরে স্থলভিত্তিক পরমাণুবাহী ক্ষেপণাস্ত্র চুক্তি রক্ষার বিষয়ে জানানো হয়েছে। যদি এমনটা না হয় তাহলে এ অঞ্চল আরও বেশি জোটের কড়া জবাবের সম্মুখীন হবে।

মঙ্গলবার ন্যাটোর পক্ষ থেকে এমন কড়া বার্তা দেয়া হয়েছে বলে তুরস্ক ভিত্তিক গণমাধ্যম ইয়েনি শাফাক এক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ন্যাটোর প্রতিরক্ষামন্ত্রী এ বিষয়ে আগামী বুধবার পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য আলোচনা করবে।

যুক্তরাষ্ট্র বলছে, যদি মস্কো তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ধরে রাখে, তাহলে ইউরোপকে পরমাণু হামলার স্বল্প সময়ের নোটিশ দেয়ার অনুমতি দেয়া হবে এবং ১৯৮৭ সালের অন্তর্বর্তী পরিসীমা পারমাণবিক চুক্তি (আইএনএফ) ভাঙা হবে।

সাংবাদিক সম্মেলনে ন্যাটোর সেক্রেটারি জেনস স্টলটেনবার্গ বলেন, আমরা দায়িত্বশীল পথ বেছে নিতে রাশিয়াকে আহ্বান জানাচ্ছি। কিন্তু রাশিয়া তা-ই করবে বলে কোনো আভাস দেখছি না। আমাদের প্রয়োজনে জবাব দিতে হবে।

তবে তিনি এসবের বিস্তারিত জানাতে অস্বীকার করেছেন। কিন্তু কূটনৈতিকরা বলছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধপরিকল্পনা অনুযায়ী পরমাণুবাহী ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা, সেনাবাহিনীর অধিক প্রশিক্ষণ এবং মার্কিন সমুদ্রভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্র ফের প্রতিস্থাপন- এসব বিষয় নিয়ে ন্যাটো প্রতিরক্ষামন্ত্রীরা বিবেচনা করছেন যে পুরো ইউরোপজুড়ে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়বে।

যুক্তরাষ্ট্র এবং তার ন্যাটো জোট রাশিয়ার ৯এম৭২৯/এসএসসি-৮ মডেলের পারমাণবিক ক্ষমতা সক্ষম ক্রুজ মিসাইলের সিস্টেম ধ্বংস চায়। মস্কো এটি করতে প্রত্যাখ্যান করে আসছে। রাশিয়ার যুক্তি, এটি ‘আইএনএফ’ চুক্তি লঙ্ঘন করছে না।

কোনো রকম সমঝোতা না হলে যুক্তরাষ্ট্র বলছে, তারা ‘আইএনএফ’ চুক্তি থেকে নিজেদের আগামী ২ আগস্ট প্রত্যাহার করবে। এছাড়া নিজস্ব সক্ষমতায় মাঝারি পাল্লার পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে বাধ্যবাধকতা তুলে উন্নয়নের কাজ করবে।

রুশ সীমান্তের কাছে যুক্তরাষ্ট্র স্থলভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা মোতায়েন করলে ১৯৬২ সালের কিউবান ক্ষেপণাস্ত্র সংকটের মতো অবস্থা তৈরি হবে। কিন্তু স্টলটেনবার্গ বলেন, এমন কোনো পরিকল্পনা তাদের হাতে নেই।