‘রুদ্র ফিরে আসুক’ – প্রাক্তনকে ক্ষমা করার দিনে তসলিমা

প্রকাশিত: ৭:৪৭ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১৭, ২০২০ | আপডেট: ৭:৪৭:অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১৭, ২০২০

গতকাল ১৬ অক্টোবর ছিল প্রেম ও দ্রোহের কবি রুদ্র মোহাম্মদ শহীদুল্লাহর ৬৪তম জন্মদিন। ক্ষণজন্মা এই কবি মাত্র ৩৫ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেছিলেন। তাঁর প্রণয় ছিল তসলিমা নাসরিনের সঙ্গে; যিনি আজ বিখ্যাত লেখিকা। শুরু করেছিলেন সংসার, কিন্তু সেটা স্থায়ী হয়নি। কিন্তু রুদ্রের জন্য তসলিমার হৃদয়ে একটুখানি স্থান এখনও সুরক্ষিত আছে। তাই হঠাৎ লেখিকার কলমে উঠে আসেন রুদ্র মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ।

আজ সোশ্যাল সাইট ফেসবুকে তসলিমা একটি পেপার কাটিং পোস্ট করে লিখেছেন, ‘ইনবক্সে আজ এই লেখাটি আমাকে একজন পাঠালো। ২৯ বছর আগের লেখা। ছাপা হয়েছিল আজকের কাগজ নামে একটি পত্রিকায়। ১৯ আষাঢ়, ১৩৯৮ সালে। হিসেব করে পেলাম ওই দিনটা ছিল ৪ জুলাই, ১৯৯১ সাল। কী করে যে সময় চলে যাচ্ছে! পলক না ফেলতেই দিন কেন, মনে হয় বছর ফুরোচ্ছে। লেখাটি বহু বছর পর আজ পড়লাম। শব্দ বাক্যগুলো ঠিক ঠিক চিনতে পারছি। লেখার সময় কী আমার অনুভব ছিল, সেও টের পাচ্ছি, অথচ মাঝখানে ২৯ বছর।’

‘রুদ্র মারা গিয়েছিল ২১ জুন, ১৯৯১ সালে। ক’দিন পর আজকের কাগজের সাহিত্য বিভাগ থেকে আমাকে একটি লেখা লিখতে বলা হয়েছিল। এটিই সেই লেখা। লেখাটি পড়ার পর আজ আমার মনে হচ্ছিল আমার মৃত্যুর পর এমন আবেগে, এমন ভালোবাসায়, এমন চোখের জলে অক্ষর ভিজিয়ে ভিজিয়ে কেউ কি আছে লিখবে? ভেবে দেখলাম কেউ নেই। দুর্ভাগ্য তবে কার? আমার? না, আমার মতো করে ভালো না বাসতে পারা আমার কাছের মানুষগুলোর?’