রোদের তেজ বৃদ্ধির সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ডাবের দাম

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৬:১১ অপরাহ্ণ, মে ৭, ২০২১ | আপডেট: ৬:১১:অপরাহ্ণ, মে ৭, ২০২১

রমজান আলী, সাতকানিয়া চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: প্রচণ্ড তাপদাহে বৃদ্ধি পাওয়া কারনে এই রোযার মাসে ইফতারে সময় বিভিন্ন ধরনের শরবত ও কোমল পানীয়র পাশাপাশি চাহিদা বেড়েছে ডাবের। অন্যান্য পানীয়র তুলনায় ডাবের পানি শতভাগ নিরাপদ। দাম অনেক বেশি হওয়ায় নিম্নবিত্তের তৃষ্ণার্ত মানুষ ডাবের পানির পরিবর্তে হাট বাজারে বিক্রি হওয়া লেবুর শরবত, আখের গুড়ের শরবতসহ বিভিন্ন কোমল পানীয় পান করছেন।

বেশ কিছুদিন যাবৎ গরম যেমন বেড়েছে তেমন পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ডাবের দাম ও চহিদা। বিভিন্ন এলাকা ঘুরে ডাব কিনে তা ফেরি করে বিক্রির টাকায় সংসার চলছে চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়া উপজেলার অনেকের। গ্রামের কৃষকরা সাধারণত গাছের ডাব বিক্রি করতে বাজারে আসেন না। তাই পাইকারদের বাড়ি গিয়ে চড়াদামে ডাব কিনতে হচ্ছে।

সাতকানিয়া উপজেলার ঢেমশা এলাকার দিদার উদ্দিন ডাব বিক্রেতা জানান, সেই বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে প্রতিটি ডাব গড়ে ২০ টাকা থেকে ২৫ টাকা করে কিনেন। এবং সেই ডাব গুলো বাজারে আগে গ্রামের ভিতরে ভ্যান গাড়ি করে
ডাব গুলো বিক্রি করেন।

তিনি আরো বলেন, আকার ও জাত ভেদে ১শ’ ডাব দুই হাজার টাকা থেকে দুই হাজার ৫শ’ টাকা করে কিনতে হয়। আর প্রতিটি ডাব খুচরা হিসেবে বিক্রি করেন ৩০ টাকা থেকে ৫০ টাকা করে। এতে সারাদিনে গড়ে হাজার বার শত টাকা লাভ হয়। এ টাকাতেই ছেলে-মেয়েদের ভরণপোষণ ও সংসার খরচ চলে, বর্তমানে করোনাভাইরাসের কারনে দেশে অনেক দিন ধরে লকডাউন চলতেছে তার জন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বৃদ্ধি, যার কারনে অনেক সময় সংসার খরচ চলাতে গিয়ে হিমশিম খেতে হয়। তবে বর্তমান ডাব বিক্রি করে অনেক ভালে চলতেছি

সরেজমিনে কেরানিহাট বাজারে ডাব ক্রেতা আব্দুল্লা আল নোমান জানান, পৃথিবীতে প্রায় সব জিনিসে ভেজাল মিশ্রিত হচ্ছে। এমনকি কিছুদিন আগে মিনারেল ওয়াটারসহ পানি বিশুদ্ধকরণ কোম্পানিতে ও বিভিন্ন দোকানে অভিযান চালিয়ে ময়লা পানি দিয়ে বাজারজাত করার জন্য জরিমানা করা হয়। এদেখে বাজারের বোতল জাত পানির প্রতিও আস্থা হারিয়ে গেছে। পবিত্র রমজান মাসে রোজা রাখার ফলে প্রায় প্রত্যেকের দেহে পানিস্বল্পতা দেখা দেয়। দিন শেষে ক্লান্তি-অবসাদ ভর করে। কোনো কাজে মন সায় দেয় না। কিন্তু এসব সমস্যা দূরে বলা চলে ম্যাজিকের মতো কাজ করে ডাবের পানি।

কিন্তু ডাবের পানিতে কোনো প্রকার ভেজাল মেশানো সম্ভব না। তাই ডাবের দাম একটু বেশি হলেও নিরাপদ ও অতি উপকারী এ পানি হাতের নাগালে পাওয়ায় আমরা খুশি।

তবে দেশের সব বাজারে স্থায়ীভাবে ডাব বিক্রির দোকান থাকলেও বিশেষ প্রয়োজনে জনসাধারণ বা ক্রেতারা যেকোনো সময় খুব সহজে ডাব কিনতে পারতেন। পাশাপাশি ডাবগাছের মালিকরাও প্রয়োজনে ডাব বিক্রি করতে পারতেন। ফলে ক্রেতা বিক্রেতা সবাই লাভবান হতেন বলে মনে করছেন তারা।