শিক্ষক নিয়োগ: প্রধান শিক্ষক প্রার্থীর বিরুদ্ধে জালিয়াতির অভিযোগ

আব্দুর রব আব্দুর রব

বড়লেখা (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৪:৩৯ অপরাহ্ণ, আগস্ট ৩১, ২০১৯ | আপডেট: ৪:৩৯:অপরাহ্ণ, আগস্ট ৩১, ২০১৯
মৌলভীবাজার জেলা

বড়লেখার মুড়াউল হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষকের শূন্যপদের নিয়োগ পরীক্ষায় নির্বাচিত প্রধান শিক্ষক প্রার্থী সাহাব উদ্দিনের বিরুদ্ধে জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। জাল অনাপত্তিপত্রে প্রধান শিক্ষকের পদ ভাগিয়ে নেয়ার বিষয় ধরা পড়ায় স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আব্দুল আহাদ তার বিরুদ্ধে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহা-পরিচালক বরাবরে লিখিত অভিাযোগ করেছেন।

অভিযোগ থেকে জানা গেছে, মুড়াউল হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষকের শূন্যপদের নিয়োগ পরীক্ষা গত ২২ জুন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ৩ বিয়ানীবাজারের ঘুঙ্গাদিয়া-বড়দেশ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাহাব উদ্দিন মনোনিত হন।

পরে কাগজপত্র যাচাইয়ে দেখা যায় আবেদনের সাথে সংযুক্ত ঘুঙ্গাদিয়া-বড়দেশ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির দেয়া অনাপত্তিপত্রে সভাপতির স্বাক্ষর ৭মার্চ আর অনাপত্তিপত্রটির ফটোকপি সত্যায়িত ৫ মার্চ। এছাড়া ঘুঙ্গাদিয়া-বড়দেশ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি হুমায়ুন কবির ২২ ফেব্র“য়ারী থেকে ১১ মার্চ পর্যন্ত পবিত্র ওমরাহ পালনে সৌদিআরব ছিলেন।

এ সময়ে তার স্বাক্ষর নিয়ে প্রশ্ন উঠে। অনাপত্তিপত্রের নানা জালিয়াতি ধরা পড়লে ম্যানেজিং কমিটি, শিক্ষকবৃন্দ ও নিয়োগ সংশ্লিষ্টদের মধ্যে তোলপাড় শুরু হয়। জালিয়াতি স্পষ্ট হওয়ায় প্রধান শিক্ষক প্রার্থী সাহাব উদ্দিনের নিয়োগ বাতিলের প্রক্রিয়া শুরু করেছে স্কুল কর্তৃপক্ষ।

মনোনিত প্রধান শিক্ষক প্রার্থী সাহাব উদ্দিন অনাপত্তিপত্রের জালিয়াতির অভিযোগের জবাব পাশ কাটিয়ে তিনি জানান, প্রথম হওয়া স্বত্তেও তাকে নিয়োগ না দেয়ায় বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেন। তবে গত ১৮ আগস্ট তিনি অভিযোগ প্রত্যাহার করেছেন।

মুড়াউল হাইস্কুলের সভাপতি আব্দুল আহাদ জানান, নিয়োগ অনুমোদনের পূর্বে জানতে পারেন সাহাব উদ্দিনের স্কুলের সভাপতি হুমায়ুন কবির অনাপত্তিপত্রে স্বাক্ষর করেননি। তিনি নিজেই জাল কাগজ তৈরী করে জমা দেন। তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ থাকায় তাকে নিয়োগ না দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।