শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে র‌্যাগিংয়ের নালিশ পেলেই প্রচলিত আইনে বিচার: আইনমন্ত্রী

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৮:৫০ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১৬, ২০১৯ | আপডেট: ৮:৫০:অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১৬, ২০১৯
এ্যাডভোকেট আনিসুল হক। ফাইল ছবি

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে র‌্যাগিংয়ের নামে কেউ নির্যাতিত হয়ে নালিশ করলেই প্রচলিত আইনে বিচারের আশ্বাস দিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। পাশাপাশি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার চার্জশিট প্রস্তুত হলে দ্রুত বিচার নিষ্পত্তির ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

বুধবার সচিবালয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সংযুক্ত প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ সব কথা জানান আইনমন্ত্রী।

র‌্যাগিং বন্ধে সরকারের তরফে কোনো আইন করা হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে আনিসুল হক বলেন, র‌্যাগিং কথাটার জন্য হয়তো কোনো আইন নেই। তবে, র‌্যাগিংয়ের মাধ্যমে যদি কোনো অপরাধ হয়, চর থাপ্পড় দেওয়া হয়, সেটিও কিন্তু পেনাল কোডে (দ-বিধি) অপরাধ হিসেবে ৩২৩ ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

তিনি বলেন, র‌্যাগিংয়ের শিকার তারা যেন নালিশ করে সে ব্যাপারে আপনারা তাদের উৎসাহ দেবেন। নালিশ করলে আমাদের যথেষ্ট আইন আছে, র‌্যাগিংয়ের মাধ্যমে যেসব অপরাধ করা হয়, সেগুলোর বিচার আমরা করব। প্রচলিত আইনেই এ বিচার করা হবে।

তবে, র‌্যাগিং বন্ধে আদালতে বিচারই একমাত্র পথ নয় উল্লেখ করে আইনমন্ত্রী বলেন, এ নিয়ে আইন আদালতেই সমাধান হবে, তা নয়। ইন হাউস সিস্টেম বিল্ড করতে হবে। সেখানে নালিশ করলে প্রতিকার হবে এবং নালিশ করলে র‌্যাগিং আর হবে না।

আবরার হত্যার বিচার প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, যে মুহূর্তে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দেওয়া হবে, তখন থেকে মামলার বিচার দ্রুত নিষ্পত্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ মামলা পরিচালনার জন্য পৃথক প্রসিকিউশন টিম গঠন করা হয়েছে। ইতিমধ্যে প্রসিকিউশন টিমকে মামলা গ্রহণ করার জন্য প্রস্তুত করেছি।

বাংলাদেশে মানবাধিকার ও শ্রমিক অধিকার রক্ষার বিষয়ে ইইউ সন্তোষ প্রকাশ করেছে বলে জানান আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, ইইউকে জানিয়েছি মানবাধিকার নিয়ে আমরা অত্যন্ত সচেতন। এটি রক্ষা করা সরকারের দায়িত্ব বলে আমরা মনে করি।